নবদ্বীপে চৈতন্য মহাপ্রভুর ভোগের জাদু, দর্শনার্থীরা কীভাবে পাবেন প্রসাদ?

নবদ্বীপে চৈতন্য মহাপ্রভুর ভোগের জাদু, দর্শনার্থীরা কীভাবে পাবেন প্রসাদ?

নবদ্বীপের চৈতন্য মহাপ্রভু মন্দির ভক্তদের কাছে এক প্রিয় গন্তব্য। মায়াপুর ঘুরতে গেলে এই মন্দিরে এসে বিগ্রহ দর্শন ও প্রসাদ গ্রহণ করলে মন ভরে যাবে। মন্দিরে মাটির উনুনে রান্না করা ভোগ, আরতি ও দর্শনের এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা ভক্তদের মনকে মোহিত করে।

মহাপ্রভুর মন্দির ও ভোগের ব্যবস্থা

নবদ্বীপ মহাপ্রভু পাড়ায় অবস্থিত এই মন্দিরে জন্মদিন, দোল উৎসবসহ অন্যান্য বড়দিনে অতি জাঁকজমকপূর্ণভাবে পুজো ও ভোগ নিবেদন করা হয়। তবে দর্শনার্থীদের জন্য সারা বছর ধরে মন্দিরে পুজো ও ভোগ গ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে।

ভোগের টিকিট কিভাবে পাবেন?

সকালে মন্দিরে এসে বিগ্রহ দর্শন করার পর মন্দিরের সেবাইতদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই সহজেই ভোগের টিকিট পেতে পারবেন। এই টিকিট নিয়ে আনুমানিক বেলা দেড়টার সময় মন্দিরে হাজির হওয়ার মাধ্যমে ভোগ গ্রহণ করা যায়।

প্রসাদের রূপ ও রন্ধনপ্রণালী

মন্দিরের বিগ্রহের পাশের ঘরেই ভোগের ব্যবস্থা থাকে। এখনও মাটির উনুনে কাঠের জ্বালে রান্না করা হয় সমস্ত ভোগ। ভোগ বন্ধনের সময় শুধুমাত্র গঙ্গা জল ব্যবহৃত হয়। অন্ন, সবজি, শাক, রসা, পুষ্পান্ন, পরমান্ন মিষ্টান্ন ইত্যাদি একাধিক পদ রান্না করে মহাপ্রভুকে নিবেদন করা হয়।

ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বিতরণ

মহাপ্রভুর ভোগ আরতি সম্পন্ন হওয়ার পর প্রথমে সাধু ও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষ ভোগ আহার করেন। এরপর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মধ্যে সেই ভোগ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক দিনই এই ভোগ পাওয়া সম্ভব, তবে আগেই মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ জরুরি।

মায়াপুরের নবদ্বীপে চৈতন্য মহাপ্রভু মন্দিরে প্রতিদিনই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য ভোগ ও প্রসাদ উপলব্ধ। মাটির উনুনে কাঠের জ্বালে রান্না করা এই ভোগ ভক্তদের এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়। আগেই মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দর্শনার্থীরা সহজেই এই ভোগ পেতে পারেন।

Leave a comment