রথযাত্রা এলেই নদিয়ার মায়াপুরে ভক্তদের ঢল নামে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং বিদেশ থেকেও হাজার হাজার মানুষ ইসকন মন্দির দর্শনে আসেন। ফলে উৎসবের মরসুমে আবাসনের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শেষ মুহূর্তে সমস্যায় পড়তে না চাইলে আগেভাগেই অনলাইনে রুম বুক করে রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
![]()
এক ক্লিকেই অনলাইনে রুম বুকিং
মায়াপুর ইসকনের বিভিন্ন অতিথিশালায় থাকার জন্য অনলাইনে বুকিংয়ের সুবিধা রয়েছে। ভক্তরা সহজেই অফিসিয়াল বুকিং পোর্টালে গিয়ে পছন্দের তারিখ, কক্ষের ধরন এবং প্রাপ্যতা দেখে রুম সংরক্ষণ করতে পারেন। বুকিংয়ের সময় নাম, মোবাইল নম্বর, পরিচয়পত্রের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিবরণ সঠিকভাবে দিতে হবে। সঠিক তথ্য দিলে চেক-ইনের সময় কোনও অসুবিধা হয় না।
মায়াপুরে কোন কোন গেস্ট হাউসে থাকার সুযোগ রয়েছে?
প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইনে বুকিং করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেও রুমের প্রাপ্যতা সম্পর্কে জানা যায়।
![]()
ভ্রমণ পরিকল্পনাতেও মিলবে সহায়তা
শুধু আবাসন নয়, মায়াপুর সফরের জন্য গাড়ি বুকিং, স্থানীয় ভ্রমণ পরিকল্পনা কিংবা অন্যান্য পরিষেবা সম্পর্কেও সহায়তা পাওয়া যায়। যাঁরা প্রথমবার মায়াপুর যাচ্ছেন বা দলবদ্ধভাবে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য এই পরিষেবাগুলি সফরকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে পারে।
আগাম বুকিং কেন জরুরি?
রথযাত্রা, গৌর পূর্ণিমা, ঝুলনযাত্রা, জন্মাষ্টমী-সহ বড় উৎসবগুলিতে মায়াপুরে প্রচুর ভিড় হয়। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলে পছন্দের গেস্ট হাউসে রুম না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইসকন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, সফরের পরিকল্পনা নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইনে বুকিং সম্পন্ন করা উচিত।
![]()
জরুরি পরিষেবার ব্যবস্থাও রয়েছে
মায়াপুরে ভক্ত ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসা-সহ একাধিক জরুরি পরিষেবার ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে আবাসন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সহায়তা—সবকিছু এক জায়গায় পাওয়ায় ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হয়।
![]()
রথযাত্রা, গৌর পূর্ণিমা বা জন্মাষ্টমীর মতো উৎসবের সময় মায়াপুরে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। তাই আগে থেকেই অনলাইনে রুম বুক করে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে ইসকন কর্তৃপক্ষ। কোন ওয়েবসাইটে বুকিং করবেন, কী কী তথ্য লাগবে এবং কোন গেস্ট হাউসে থাকার সুযোগ রয়েছে—জানুন বিস্তারিত।








