ট্রেন ছাড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে আচমকা ধোঁয়ায় ঢেকে গেল হাওড়া স্টেশনের একাংশ। মিথিলা এক্সপ্রেসের জেনারেল কামরার টয়লেট থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বেরোতে শুরু করতেই আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন যাত্রীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয়ে ওঠে রেল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা স্টেশন চত্বরে।
আচমকা ধোঁয়ায় আতঙ্ক
যাত্রীদের দাবি, প্রথমে ট্রেনের জেনারেল কামরার শৌচাগার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে সেই ধোঁয়া গোটা কামরায় ছড়িয়ে পড়ে। গলগল করে ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। অনেকে তড়িঘড়ি কামরা থেকে নেমে প্ল্যাটফর্মে চলে আসেন।
ট্রেন ছাড়ার আগেই বড় বিপত্তি
ঘটনাটি ঘটে ট্রেন ছাড়ার ঠিক আগে। ফলে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়। হঠাৎ আগুন ও ধোঁয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্টেশন চত্বরে হইচই শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ করে রেল কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাস্থলে আরপিএফ ও রেল পুলিশ
আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় Railway Protection Force এবং রেল পুলিশ। যাত্রীদের দ্রুত নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কোচটিকে মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, যাতে আগুন অন্য কামরায় ছড়িয়ে না পড়ে।
স্নিফার ডগ ও ফরেনসিক তদন্ত
ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন কীভাবে লাগল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে ফরেনসিক দল। ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে স্নিফার ডগও। রেল সূত্রে খবর, কোনও নাশকতার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আতঙ্ক কাটেনি যাত্রীদের
ঘটনার পর বহু যাত্রীই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকের দাবি, প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা শর্ট সার্কিট হয়েছে। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে কারণ
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কোচটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে এবং ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা Mithila Express-এর একটি জেনারেল কামরায় আচমকা ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পাওয়া যায়। ট্রেনের শৌচাগার থেকে গলগল করে ধোঁয়া বেরোতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আরপিএফ, রেল পুলিশ ও তদন্তকারী দল।











