আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এবার বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। বসিরহাট পুলিশ জেলার উদ্যোগে বিএসএফের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী একাধিক স্পর্শকাতর এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। নতুন সরকারের আমলে এই বাড়তি সতর্কতাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
![]()
সীমান্তে যৌথ অভিযানে পুলিশ সুপার
বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অলকানন্দা ভাওয়াল এদিন নিজে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে যৌথভাবে পেট্রোলিং ও চেকিং চালিয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
নাকা চেকিং ও যানবাহনে তল্লাশি
শুধু উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাই নন, সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলির IC ও OC-দেরও বিশেষভাবে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং, গাড়ি তল্লাশি এবং সন্দেহভাজন গতিবিধির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতেও বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল।
![]()
বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখতেই কড়া নজর
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনওরকম বেআইনি অনুপ্রবেশ, পাচার বা অপরাধমূলক কাজ না ঘটে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএসএফ ও জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
সাধারণ মানুষের মধ্যেও বাড়ছে নিরাপত্তার বার্তা
নতুন সরকারের আমলে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের এই সক্রিয় ভূমিকায় আশ্বস্ত এলাকাবাসী। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, নিয়মিত টহল ও যৌথ অভিযান সীমান্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
![]()
আরও বাড়তে পারে নজরদারি
পুলিশ সূত্রে খবর, আগামী দিনেও সীমান্ত এলাকায় এই ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে প্রশাসনের। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেই এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে।
![]()
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর প্রশাসন। বসিরহাটে পুলিশ ও বিএসএফ যৌথভাবে টহল, নাকা চেকিং এবং তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ও বেআইনি কার্যকলাপ রুখতেই এই বিশেষ নজরদারি বলে প্রশাসনের দাবি।










