ভোটের আগে কোনও ঝুঁকি নয়—এই বার্তা স্পষ্ট প্রশাসনের। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে North 24 Parganas জুড়ে শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর টহল ও রুট মার্চ। সীমান্ত ও সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর রেখে তৈরি করা হচ্ছে কড়া নিরাপত্তা বলয়।
জেলাজুড়ে আগাম নিরাপত্তা মোতায়েন
প্রশাসন সূত্রে খবর, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই আগাম মোতায়েন করা হয়েছে একাধিক কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী। প্রতিটি কোম্পানিতে প্রায় ৬০ জন করে জওয়ান রয়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে আরও বাহিনী আনার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
বসিরহাটে রুট মার্চে শক্তি প্রদর্শন
শনিবার সকাল থেকেই Basirhat-এর বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ নজরে আসে। শহরের ত্রিমোহিনী চত্বর থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা ঘুরে দেখে জনবহুল ও সংবেদনশীল অঞ্চলগুলি। স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়।
সীমান্তে কড়া নজরদারি
এদিকে Bongaon ও Bagda সীমান্ত এলাকায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে বাহিনী। ধাপে ধাপে সেখানেও শুরু হয়েছে রুট মার্চ। প্রশাসনের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বাইরে থেকে কোনও অবাঞ্ছিত প্রভাব বা বিশৃঙ্খলা যাতে ঢুকতে না পারে, সেদিকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংবেদনশীল থানা এলাকায় যৌথ টহল
মিনাখাঁ, হাড়োয়া, স্বরূপনগর, হাসনাবাদ ও ন্যাজাট সহ একাধিক থানা এলাকায় কৌশলগতভাবে বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে টহলদারি চালিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন জওয়ানরা। প্রশাসনের লক্ষ্য—আস্থার পরিবেশ তৈরি করা এবং ভোটের আগে ভীতি দূর করা।
দৃশ্যমান নিরাপত্তা, বাড়ছে ভরসা
জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাহিনীর উপস্থিতি এখন দৃশ্যমান। প্রশাসনের দাবি, আগাম পদক্ষেপের ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তির বার্তা পৌঁছচ্ছে বলে দাবি আধিকারিকদের।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। সম্ভাব্য অশান্তি রুখতে আগাম মোতায়েন কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী। বসিরহাট থেকে বনগাঁ–বাগদা সীমান্ত, মিনাখাঁ–হাড়োয়া–স্বরূপনগর সহ একাধিক এলাকায় জোরদার টহল ও রুট মার্চ।











