বছরের শেষ প্রান্তে পৌঁছে উত্তরবঙ্গে শীতের আমেজ আরও স্পষ্ট। বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারেই না থাকলেও, ভোরের কুয়াশা ও পাহাড়ি জেলাগুলিতে তাপমাত্রা হ্রাস সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক কিন্তু ঠান্ডায় মোড়া।

কুয়াশার দাপট একাধিক জেলায়
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর—এই সব জেলায় ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশার ঘনত্ব বাড়লে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে কমে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

পাহাড়ে শীতের প্রকোপ বাড়ছে
পাহাড়ি এলাকায় শীতের দাপট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, অন্যদিকে কালিম্পঙে তা রয়েছে ১৬.৫ ডিগ্রির আশেপাশে। সকালবেলায় ঠান্ডার সঙ্গে কুয়াশা মিলে স্বাভাবিক জনজীবনে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

সমতলেও শীতের ছোঁয়া
সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি স্পষ্ট। মালদায় ২০.৪ ডিগ্রি, কোচবিহারে ১৯.৬ ডিগ্রি, জলপাইগুড়িতে ২৩.৮ ডিগ্রি, আলিপুরদুয়ারে ২১ ডিগ্রি, উত্তর দিনাজপুরে ২৩.৫ ডিগ্রি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২৩ ডিগ্রি এবং শিলিগুড়িতে ২১.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
যান চলাচলে সতর্কতার পরামর্শ
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোর ও সকালের দিকে কুয়াশার কারণে জাতীয় সড়ক ও পাহাড়ি রাস্তায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা ভোরে যাত্রা করেন, তাঁদের গতি নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ জুড়ে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেই ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা ও পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা কমে শীতের দাপট বাড়ছে। আবহাওয়া দফতর সতর্ক করেছে যান চলাচল নিয়ে।











