গরম পড়তেই পাহাড় বা জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতে ভিড় বাড়ে। কিন্তু ভিড় আর কোলাহল ছেড়ে যদি একটু নির্জন, শান্ত পরিবেশে সমুদ্র উপভোগ করতে চান, তবে কলকাতার কাছেই রয়েছে একাধিক অজানা সৈকত। সপ্তাহান্তের ছোট ট্রিপেই ঘুরে আসা সম্ভব এই জায়গাগুলি।
লাল কাঁকড়ার রাজত্ব—দক্ষিণ পুরুষোত্তমপুর
মন্দারমণির কাছেই এই নির্জন সৈকতে লাল কাঁকড়ার দল চোখে পড়ে। সূর্যাস্তের সময় এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্য যেন অন্য মাত্রা পায়।
নির্জনতার স্বাদ—ডুবলাগিরি (ওড়িশা)
ঝাউবনে ঘেরা এই সৈকত শান্তি খোঁজার জন্য আদর্শ। এখানে ক্যাম্পিং করে রাতের সমুদ্রের গর্জন শোনার অভিজ্ঞতা অনন্য।
তারাভরা আকাশের নিচে—যমুনাসল
ভিড়হীন এই সৈকতে রাতের আকাশে তারার মেলা আর উত্তাল ঢেউ—এক রোমাঞ্চকর পরিবেশ তৈরি করে।
সবুজে মোড়া স্বর্গ—বগুরান জলপাই
কাঁথির কাছের এই সৈকত ঝাউবন ও নির্জনতার জন্য বিখ্যাত। পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় এখানকার রূপ আরও মায়াবী হয়ে ওঠে।
হঠাৎ ঘুরতে—লালগঞ্জ সৈকত
নামখানার কাছে অবস্থিত এই সৈকত এখনও পর্যটকদের ভিড় থেকে দূরে। সপ্তাহান্তের দ্রুত ট্রিপের জন্য আদর্শ।
ইতিহাস ও সৌন্দর্য—গোপালপুর অন সি
ওড়িশার এই সৈকতে রয়েছে পুরনো লাইটহাউস ও পরিষ্কার পরিবেশ। তবে সমুদ্র গভীর হওয়ায় সতর্কতা জরুরি।
যমজ সৈকত—বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ
শান্ত সমুদ্র, ম্যানগ্রোভ বন ও কুমির প্রকল্প—সব মিলিয়ে পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য দারুণ জায়গা।
দুটি রূপ—শঙ্করপুর
একদিকে মৎস্যবন্দর, অন্যদিকে নির্জন সৈকত—এই দ্বৈত সৌন্দর্যই শঙ্করপুরকে আলাদা করে তোলে।
ওড়িশার রত্ন—তালসারি সৈকত
তালগাছ, ঝাউবন আর শান্ত সমুদ্র—এই সৈকতে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানো যায়। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য স্বর্গ।
আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া—সাগরদ্বীপ
গঙ্গা ও সমুদ্রের মিলনস্থল এই সৈকত শুধু তীর্থস্থান নয়, শান্ত ভ্রমণের জন্যও জনপ্রিয়।
দিঘা, মন্দারমণি বা পুরীর ভিড় এড়িয়ে নিরিবিলি সমুদ্রসৈকত খুঁজছেন? কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন ১০টি অফবিট বিচ, যেখানে কম খরচে উপভোগ করতে পারবেন প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য ও গরমেও শীতল হাওয়া।













