পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দারকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবে আঞ্চলিক কূটনীতি এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের ভূমিকার উল্লেখ করা হয়েছে।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের পরিষদে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের প্রধান সচেতক রানা আরশাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দারকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আনা হয়েছে, যেখানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকার দাবি করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পাকিস্তান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবদান রেখেছে, যদিও এই দাবির আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।
![]()
পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর কূটনীতির প্রদর্শন করেছে। এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে। একই সঙ্গে এই নেতাদের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের সুপারিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষদে প্রশংসা করা হয়েছে।
প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার সময় পাকিস্তান মধ্যস্থতা ও সংলাপ বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করেছে, যার ফলে একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই দাবির বিষয়ে এখনও স্বাধীন আন্তর্জাতিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। এর পরেও পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে সমর্থন ও প্রশংসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পাকিস্তানের সংসদ ও গণমাধ্যমে এই প্রস্তাবকে ঘিরে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কিছু পক্ষ এটিকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছে, অন্যদিকে কিছু পক্ষ এটিকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে। আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতির ভাবমূর্তি জোরদার করার উদ্দেশ্যে আনা হয়। একই সঙ্গে নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ও নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।











