অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার বা প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার : ‘নীরব রোগ’ হিসেবেই পরিচিত। প্রাথমিক উপসর্গ যেমন পেট ফাঁপা, হজমজনিত সমস্যা বা ক্লান্তি অনেকেই উপেক্ষা করেন। ডঃ রাজেশ শিণ্ডে জানান, এই লক্ষণগুলি সময়মতো শনাক্ত না হলে রোগ দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে।

প্রাথমিক লক্ষণগুলির অবহেলা বিপজ্জনক
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের শুরুর লক্ষণ সাধারণ হজমজনিত সমস্যার সঙ্গে সহজেই মিশে যায়। ব্যথা, জন্ডিস বা ওজন হঠাৎ কমা – এগুলো নজর না দিলে সমস্যা বাড়তে পারে।
কারা বেশি ঝুঁকিতে?
WHO জানিয়েছে, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার প্রধানত বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। পুরুষদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি, কারণ ধূমপান ও জীবনধারার কারণে তারা আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি রাখেন।

কখন সতর্ক হবেন?
ব্যথা বারবার ফিরে আসে, পিঠে ছড়িয়ে পড়ে বা শুয়ে পড়লে বেড়ে যায়।
আচমকা ওজন কমে যাওয়া, খিদে কমে যাওয়া, তেলতেলে মল বা দুর্গন্ধযুক্ত মল দেখা দেওয়া।
জন্ডিস বা চোখ-ত্বক হলুদ হওয়া।
৫০ বছরের বেশি বয়সে নতুন করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধরা পড়া বা পূর্বের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হারানো।

উপসর্গ একসঙ্গে দেখা দিলে বিশেষ সতর্কতা
যে উপসর্গগুলো তিন থেকে চার সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় বা একসঙ্গে দেখা দেয়—যেমন ব্যথার সঙ্গে ওজন কমে যাওয়া বা জন্ডিসের সঙ্গে চুলকানি—অবহেলা করা ঠিক নয়। এগুলো অম্লতা বা মানসিক চাপ নয়, বরং প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের প্রাথমিক সংকেত হতে পারে।

ডঃ শিণ্ডে বলছেন, যে কোনো দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। সময়মতো সনাক্ত হলে রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।













