পাটনা কোচিং বিরোধ ও গুলিচালনা মামলায় খান স্যারসহ পাঁচজনের জামিন মঞ্জুর

পাটনার মুসাল্লাহপুর হাট এলাকায় কোচিং প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বিরোধ ও গুলিচালনার মামলায় পাটনা সিভিল কোর্ট ফয়জল খান ওরফে খান স্যার, তাঁর তিন সহযোগী এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকা দুই দেহরক্ষীর জামিন মঞ্জুর করেছে। তবে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া পূর্বের মতোই চলবে।
পাটনা কোচিং বিরোধ ও গুলিচালনা মামলায় খান স্যারসহ পাঁচজনের জামিন মঞ্জুর
Photo Credit / Attribution: Google

খান স্যার নামে পরিচিত ফয়জল খান পাটনার বহুল আলোচিত কোচিং-সংক্রান্ত বিরোধ ও গুলিচালনার মামলায় আইনি স্বস্তি পেয়েছেন। পাটনা সিভিল কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে জামিন দিয়েছে। একই মামলায় নামজদ তিন সহযোগীকেও আদালত জামিন দিয়েছে। এছাড়া বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকা দুই দেহরক্ষীকেও নিয়মিত জামিন প্রদান করা হয়েছে।

জুন মাসে পাটনার মুসাল্লাহপুর হাট এলাকায় অবস্থিত একটি কোচিং প্রতিষ্ঠানের বাইরে সংঘটিত বিরোধ ও গুলিচালনার ঘটনার সঙ্গে এই মামলার সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার পর তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ খান স্যার, তাঁর সহযোগী এবং দুই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে। এরপর গ্রেপ্তার থেকে সুরক্ষা এবং অগ্রিম জামিনের আবেদন নিয়ে খান স্যার আদালতের দ্বারস্থ হন।

শুনানির সময় উভয় পক্ষ আদালতে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে। প্রতিরক্ষা পক্ষের দাবি ছিল, গুলিচালনার ঘটনায় খান স্যারের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না এবং তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের পদক্ষেপ আত্মরক্ষার পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, প্রসিকিউশন পক্ষ পুলিশি তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে। সব পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত জামিন মঞ্জুরের নির্দেশ দেয়।

আদালতের আদেশের পর খান স্যার, তাঁর তিন সহযোগী এবং দুই দেহরক্ষী আইনি স্বস্তি পেলেও, জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। পুলিশের তদন্ত এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া আগের মতোই চলবে। অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ট্রায়াল এবং আদালতের পরবর্তী শুনানির পরই হবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই মামলা বিহারের শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় ছিল। কোচিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিরোধ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকভাবে বিতর্ক চলেছে। আদালতের জামিনের আদেশের পর মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখন পরবর্তী পর্যায়ে এগোবে।

Leave a comment