উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের আদালত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে মানহানির একটি মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশে অভিযোগ দায়ের হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালতের রায়ে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগে দাবি করা হয়েছিল, তিনি অমিত শাহকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা শুরু হয়। মামলাটি আদালতে পৌঁছনোর পর আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় সংশ্লিষ্ট তথ্য ও দুই পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করে আদালত রাহুল গান্ধীকে বেকসুর খালাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অমিত শাহকে নিয়ে রাহুল গান্ধীর কথিত মন্তব্যের পর ২০১৮ সালে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মামলাটি আদালতে গড়ায় এবং শুরু হয় বিচারপ্রক্রিয়া। সুলতানপুরের আদালতে শুনানির সময় মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির যুক্তি বিবেচনা করা হয়। এরপর আদালত রায় ঘোষণা করে রাহুল গান্ধীকে এই মামলায় বেকসুর খালাস দেয়।
রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি মামলাগুলির দিকে রাজনৈতিক মহলেও নজর থাকে। অমিত শাহকে নিয়ে কথিত মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের হওয়া এই মামলাটিও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিল।
মানহানির মামলায় অভিযোগ এবং আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পৃথক বিষয়। কোনও মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়ার অর্থ, সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেনি। সুলতানপুরের আদালতের এই রায়ের ফলে অমিত শাহকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় রাহুল গান্ধী খালাস পেলেন।
এই মামলায় অভিযোগ দায়েরের ভিত্তি, শুনানির সময় বিবেচিত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তি এবং রায়ের বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে আদালতের সরকারি নির্দেশ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আপাতত উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, অমিত শাহকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের হওয়া মানহানির মামলায় রাহুল গান্ধীকে বেকসুর খালাস দিয়েছে সুলতানপুরের আদালত।









