বিয়ের মণ্ডপ থেকে সরাসরি সমাজসেবার বার্তা। দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় জুটি রশ্মিকা-বিজয় তাঁদের ব্যক্তিগত সুখের মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন জনকল্যাণের উদ্যোগে। অনুরাগীদের সঙ্গে মন্দির দর্শন, গৃহপ্রবেশ— সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক বিশেষ ঘোষণা, যা ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়োচ্ছে দেশজুড়ে।
৪৪টি সরকারি স্কুলে বৃত্তির ঘোষণা
বিজয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দেবরকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর উদ্যোগে জেলার ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির মেধাবী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ চালু করা হয়েছে। শিক্ষা যাতে মাঝপথে থেমে না যায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।এই ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
গৃহপ্রবেশ থেকে গ্রামের পুজো— ঐতিহ্যে ভরপুর আয়োজন
সোমবার Hyderabad-এ নিজেদের নতুন বাড়িতে গৃহপ্রবেশ সারেন নবদম্পতি। এরপর বিজয়ের গ্রামের বাড়িতেও যান তাঁরা। সেখানে আয়োজিত হয় সত্যনারায়ণ পুজো। পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল সমস্ত রীতি।
অন্ধ্র ও কোডাভা— দুই রীতিতে বিয়ে
রশ্মিকা ও বিজয় দুই ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্য মেনে বিবাহ সম্পন্ন করেন। অন্ধ্র ও কোডাভা— দুই রীতিতেই অনুষ্ঠিত হয় তাঁদের বিয়ে। এই বৈচিত্র্যই অনুরাগীদের কাছে অনুষ্ঠানটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয় নবদম্পতির রাজকীয় লুক।
রাজকীয় সাজে নজরকাড়া জুটি
কনে রশ্মিকা পরেছিলেন ডিজাইনার অনামিকা খান্নার তৈরি রঙিন সিল্ক শাড়ি, সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না। অন্যদিকে বিজয় ছিলেন লাল-সাদা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে, কাঁধে লাল অঙ্গভস্ত্রম, কপালে তিলক। হাতে-পায়ে আলতা ও ভারী অলঙ্কারে তাঁকে যেন কোনও পিরিয়ড ফিল্মের রাজকীয় বীরের মতো লাগছিল।বর-কনে হিসেবে দু’জনের প্রাণবন্ত উপস্থিতি নজর কেড়েছে ভক্তদের।
সমাজসেবায় নতুন বার্তা
তারকাদের বিয়ে মানেই জাঁকজমক— এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে রশ্মিকা-বিজয় শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখার বার্তা দিলেন। বিয়ের আনন্দকে ভাগ করে নেওয়ার এই মানবিক উদ্যোগই তাঁদের জনপ্রিয়তাকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেল।
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরই বড় সামাজিক উদ্যোগ নিলেন দক্ষিণের তারকা জুটি Rashmika Mandanna ও Vijay Deverakonda। ‘দেবরকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে জেলার ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য স্কলারশিপ ঘোষণা করে মন জিতলেন নবদম্পতি।













