ভোটার তালিকা সংশোধনে আরও এক ধাপ এগোল নির্বাচন কমিশন। আনম্যাপড ভোটারদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই এবার নজরে এসেছে ‘লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি’। এই ক্যাটাগরির আওতায় থাকা প্রায় এক কোটির কাছাকাছি ভোটারকে শুনানির জন্য নোটিস পাঠানোর নির্দেশ জারি হয়েছে।
কবে থেকে শুরু হচ্ছে নোটিস ইস্যু?
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের নির্দেশে
মঙ্গলবার থেকেই
সব জেলাশাসকদের
লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি সংক্রান্ত নোটিস ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত।
লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি কী?
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটার তালিকায় যেসব ক্ষেত্রে—
নাম ও বয়সের অসঙ্গতি
লিঙ্গ সংক্রান্ত তথ্যের গরমিল
জন্মতারিখে অযৌক্তিক ফারাক
একই ঠিকানায় অস্বাভাবিক তথ্য
এই ধরনের অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে, সেগুলিকেই ‘লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কতজন ভোটার এই তালিকায়?
নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী,
রাজ্যে বর্তমানে প্রায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ভোটার
লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সির আওতাভুক্ত
এই বিপুল সংখ্যক ভোটারকে ধাপে ধাপে যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সব ক্ষেত্রেই কি শুনানিতে হাজিরা বাধ্যতামূলক?
কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত,
শুধুমাত্র বানান বা সামান্য তথ্যগত ভুল থাকলে
সরাসরি শুনানিতে হাজিরা প্রয়োজন নাও হতে পারে
নোটিসে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হবে—
শুনানিতে উপস্থিত থাকতে হবে কি না
নাকি শুধুই নথি সংশোধন করলেই চলবে
কবে থেকে শুরু হবে শুনানি?
আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে
লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি সংক্রান্ত ভোটারদের শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হবে। জেলা স্তরে আলাদা আলাদা সময়সূচি তৈরি করা হচ্ছে।
আনম্যাপড ভোটারদের পর এবার রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ভোটারকে ‘লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সি’ সংক্রান্ত শুনানিতে ডাকার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার থেকেই জেলাশাসকদের নোটিস ইস্যুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে শুনানি প্রক্রিয়া।












