রাউজ এভিনিউ কোর্ট সোনিয়া গান্ধীকে 1980-81 সালের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিরোধে নোটিশ জারি করেছে।
নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার নয়াদিল্লির রাউজ এভিনিউ এলাকার অতিরিক্ত জেলা আদালতের (আদালত) একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানিতে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই নোটিশটি একটি revisão याचिका (Revision Petition) নিয়ে শুনানি চলার সময় জারি করা হয়। এই याचिकाটি সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট 1980-81 সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে দায়ের করা অভিযোগ খারিজ (reject) করেছিলেন। এখন আদালত এই পুরো বিরোধের পুনরায় তদন্ত করবে।
রিভিশন याचिकाতে যা বলা হয়েছে
শুনানির সময় revisão-এর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ त्रिपाठी পক্ষে ছিলেন। वरिष्ठ আইনজীবী पवन নারঙ্গ আদালতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই মামলাটি শুধুমাত্র একটি সাধারণ প্রযুক্তিগত ভুল নয়, বরং এর মধ্যে গুরুতর अनियमितতা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যে সময়ে সোনিয়া গান্ধী ভারতীয় নাগরিক ছিলেন না, সেই সময়ে তার নাম ভোটার তালিকায় কিভাবে যুক্ত হল। তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়াটি নিয়মাবলীর বিরোধী এবং এর জন্য दस्तावेजोंમાં forgery বা জালিয়াতি করা হতে পারে।
1980 সালের ভোটার তালিকায় বড় প্রশ্ন
সিনিয়র আইনজীবী पवन নারঙ্গ আদালতকে জানান, 1980-81 সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম ছিল। সেই সময় তার নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। এরপর তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে জানুয়ারি 1983 সালে একটি আবেদনের ভিত্তিতে পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নারঙ্গ বলেন, এই দুটি ঘটনা - প্রথমত নাম যুক্ত করা এবং পরে তা বাদ দিয়ে পুনরায় যুক্ত করা - সবই সোনিয়া গান্ধীর নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে ঘটেছে। তাই এই বিষয়গুলির বিচারিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
আইনি যুক্তি: জনপ্রতিনিধিদের আইন লঙ্ঘন
দলিলে আইনজীবী আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিদের আইন (Representation of the People Act) অনুযায়ী, শুধুমাত্র ভারতের নাগরিকরাই ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হতে পারে। নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে তার নাম নথিভুক্ত করা হলে, তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই কারণে এই মামলাটি শুধুমাত্র একটি অভিযোগ নয়, বরং এমন একটি বিষয় যা গভীর তদন্তের দাবি রাখে। याचिकाকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া যাচাইকৃত কপি তার দাবিগুলিকে সমর্থন করে।
প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তি কী ছিল
এই অভিযোগটি মূলত একটি সংবাদপত্রের নিবন্ধের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, যেখানে 1980 সালের ভোটার তালিকায় ত্রুটিগুলোর কথা বলা হয়েছিল। তবে এখন সংশোধনকারী নির্বাচন কমিশন থেকে সরকারি নথির প্রতিলিপি সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলি আদালতে পেশ করেছেন।
অতিরিক্ত জেলা আদালত কী বলল
অতিরিক্ত জেলা न्यायाधीश বিশাল গোগনে উভয় পক্ষের প্রাথমিক যুক্তিতর্ক শোনার পর বলেন যে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সোনিয়া গান্ধী এবং অন্যান্য বিবাদীలకు নোটিশ জারি করেন। রাজ্য সরকারের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী নোটিশটি গ্রহণ করেছেন, যার অর্থ মামলাটি এখন বিচার প্রক্রিয়ার দিকে অগ্রসর হবে।
ট্রায়াল কোর্ট রেকর্ড তলবের নির্দেশ
বিচারপতি আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে ট্রায়াল কোর্টের রেকর্ড (TCR) তলব করা হবে, যাতে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করার সময় কী কী বিষয় বিবেচনা করেছিলেন, তা দেখা যায়।
মামলাটি আগামী ৬ জানুয়ারি আবার তালিকাভুক্ত হবে। সেদিন দেখা হবে ম্যাজিস্ট্রেট কি অভিযোগের প্রাথমিক পর্যায়ে খারিজ করার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল কিনা। অতিরিক্ত জেলা আদালত এই বিষয়ে আরও তদন্ত বা অভিযোগের প্রয়োজন আছে কিনা, সেটাও ঠিক করবে।










