সুলতানপুরে বিয়ের নাম করে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণার একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এক যুবক নিজেকে আয়কর বিভাগের অডিটর পরিচয় দিয়ে একটি বিয়ের সম্পর্ক স্থির করে এবং বিশ্বাস অর্জনের পর ৭ লক্ষ টাকার বেশি হাতিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত যুবক সরকারি চাকরি এবং উচ্চপদে কর্মরত থাকার দাবি করে নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে তুলে ধরেছিল। সেই বিশ্বাসে পরিবার বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে এবং বিভিন্ন অজুহাতে তাকে টাকা দিতে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, কখনও চাকরি সংক্রান্ত প্রয়োজন, কখনও পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনও বিয়ের প্রস্তুতির কথা বলে অভিযুক্ত অর্থ দাবি করত। ধীরে ধীরে সে ৭ লক্ষ টাকার বেশি আদায় করে বলে অভিযোগ।
সুলতানপুরে ভুক্তভোগী পক্ষের সন্দেহ হলে তারা অভিযুক্তের পরিচয় যাচাই করে। তদন্তে জানা যায়, সে আয়কর বিভাগে অডিটর নয়।
এরপর পরিবার অভিযুক্তের কাছে টাকা ফেরত দাবি করলে সে টালবাহানা শুরু করে বলে অভিযোগ। পরে সে যোগাযোগও কমিয়ে দেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
পুরো ঘটনার অভিযোগ পুলিশে দায়ের করা হয়েছে এবং এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।
উত্তর প্রদেশে বিয়ের নাম করে প্রতারণার একাধিক ঘটনা সামনে আসছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিযুক্তরা ভুয়া চাকরি, বড় বেতন এবং সরকারি পদে থাকার দাবি করে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে বলে অভিযোগ।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের কল ডিটেল, ব্যাংক লেনদেন এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, অনলাইন এবং প্রচলিত উভয় ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এখন সতর্কতা জরুরি হয়ে উঠেছে। বিয়ের সম্পর্ক চূড়ান্ত করার আগে পরিবারের পূর্ণ যাচাই-বাছাই করা উচিত বলে তারা মত দিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন মহল থেকে এমন মামলায় দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে।
সুলতানপুর পুলিশ সাধারণ মানুষকে বিয়ে বা চাকরির নামে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় এবং চাকরির সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার ও সামাজিক প্রতারণার বাড়তে থাকা ঘটনার মধ্যে ব্যক্তিগত যাচাই এবং আইনি সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রয়েছে।










