২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের দাপুটে পারফরম্যান্সের মাঝেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—অভিষেক শর্মা। তিন ম্যাচে তিনটি শূন্য। এমন ব্যর্থতার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সুপার এইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে কি তাঁকে বেঞ্চে বসানো হবে? নাকি ভরসাই রাখবে টিম ইন্ডিয়ার থিঙ্কট্যাঙ্ক?
শূন্যের হ্যাটট্রিক, বাড়ছে চাপ
অভিষেক শর্মার ব্যাট এ বার বিশ্বকাপে এখনও রানের খাতা খুলতে পারেনি। পাওয়ারপ্লে-তে দ্রুত রান তোলার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে থাকলেও, প্রতিটি ম্যাচেই তিনি ব্যর্থ। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ—সবাই প্রশ্ন তুলছেন, বড় মঞ্চে কি চাপ সামলাতে পারছেন না তরুণ এই বাঁহাতি?
টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা অটুট
সমালোচনার ঝড়ের মাঝেও ড্রেসিংরুমে কিন্তু ভিন্ন ছবি। বোলিং কোচ মরনে মরকেল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অভিষেককে বাদ দেওয়ার কোনও আলোচনা হয়নি। তাঁর কথায়, “সে বিশ্বমানের খেলোয়াড়। একটা ভালো শুরু পেলেই ছবিটা বদলে যাবে।”টিম সূত্রে খবর, নেটে অভিষেকের ব্যাটিং যথেষ্ট ইতিবাচক। ফলে তাঁকে আরও একটি সুযোগ দেওয়ার পক্ষেই ঝুঁকছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।
কঠিন পিচে নতুন চ্যালেঞ্জ
সহকারী কোচ Ryan ten Doeschate আগেই জানিয়েছেন, সুপার এইটে উচ্চ-স্কোরিং পিচ নাও মিলতে পারে। বড় বাউন্ডারি ও শক্ত পিচে ধৈর্য ও শট নির্বাচনই হবে আসল চাবিকাঠি। পাওয়ার-হিটিংয়ের বদলে কৌশলগত ব্যাটিং প্রয়োজন—এই পরিবর্তনেই বড় পরীক্ষা অভিষেকের।
তিন বাঁহাতি, কৌশলগত সমস্যা?
ভারতের টপ অর্ডারে তিন বাঁহাতি—অভিষেক, Ishan Kishan ও Tilak Varma—থাকায় প্রতিপক্ষ দল সহজেই স্পিন কৌশল সাজাতে পারছে। বিশেষ করে ফিঙ্গার স্পিনের বিরুদ্ধে রান তোলার ক্ষেত্রে উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলে স্বীকার করেছে কোচিং স্টাফ।
সুপার এইটেই ভাগ্য নির্ধারণ
ভারতের প্রথম সুপার এইট ম্যাচেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। যদি অভিষেক সুযোগ পান এবং বড় ইনিংস খেলেন, তাহলে সমালোচনা স্তব্ধ হবে। কিন্তু ব্যর্থতা চলতে থাকলে বিকল্প ভাবনাও সামনে আসতে পারে।
টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে চাপে ভারতের ওপেনার Abhishek Sharma। তবে সুপার এইটের আগে তাঁকে বাদ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিলেন বোলিং কোচ Morne Morkel। কী ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট? বিশ্লেষণে বড় ছবি।













