২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত The Kerala Story-এর সিক্যুয়েল ঘিরে ফের বিতর্ক চরমে। টিজার প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সেই আবহেই আগামিকাল মুক্তির কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে রিলিজে ব্রেক কষল কেরল হাইকোর্ট।
১৫ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ
একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ছবিটির মুক্তি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অভিযোগ, ছবিতে কেরলকে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করা হয়েছে এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো সংবেদনশীল বিষয় উপস্থাপনে বিভ্রান্তিকর তথ্য থাকতে পারে। সব পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত জানায়, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা না করে মুক্তির অনুমতি দেওয়া যাবে না।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক
কেরলের মুখ্যমন্ত্রী Pinarayi Vijayan সিক্যুয়েলটিকে ‘মিথ্যা প্রচার’ ও ‘বিষাক্ত’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের চলচ্চিত্র সমাজে বিভাজন তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে নির্মাতাদের বক্তব্য, ছবিটি বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতায় পড়ে।
আদালতে উত্তপ্ত তর্ক
শুনানির সময় আবেদনকারী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। নির্মাতারা জরুরি ভিত্তিতে রায়ের আবেদন করলেও আদালত স্পষ্ট করে দেয়—জনসাধারণের অনুভূতি উপেক্ষা করা যাবে না এবং তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। সমস্ত যুক্তি খতিয়ে দেখেই পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।
সিবিএফসি-কে প্রশ্ন
ছবিটির শ্রেণীবিভাগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। Central Board of Film Certification (সিবিএফসি) কেন ছবিটিকে ‘এ’ সার্টিফিকেট দেয়নি, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সংবেদনশীল বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল।
বিতর্কের আবহে মুক্তির আগের দিন বড় ধাক্কা। The Kerala Story 2: Goes Beyond ছবির প্রেক্ষাগৃহে রিলিজে ১৫ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করল Kerala High Court। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী মুক্তির কথা থাকলেও আদালতের নির্দেশে আপাতত বন্ধ থাকছে প্রদর্শনী। ছবির সার্টিফিকেশন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত।













