Trinamool Congress: বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে বড় রদবদলের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কোথায়: কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন সংগঠনে; কখন: আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে; কে: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলীয় নেতৃত্ব; কী: সাংগঠনিক ও পুর প্রশাসনিক স্তরে পারফরম্যান্স–ভিত্তিক পরিবর্তন; কেন: কর্মদক্ষতা বাড়ানো ও ভোটের আগে দলকে আরও কার্যকর করা।

পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে রদবদল: অভিষেকের বার্তা কার্যকরী পর্যায়ে
একুশে জুলাইয়ের শহিদ মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন— পারফরম্যান্সই হবে মূল্যায়নের একমাত্র মাপকাঠি। সূত্রের খবর, সেই কথাই এবার বাস্তবায়িত হতে চলেছে। দলে যারা কর্মক্ষম অথচ সুযোগ পাচ্ছেন না, তাঁদের তুলে আনার পরিকল্পনা হয়েছে। আবার যারা দীর্ঘদিন পদে থেকেও কাজ করছেন না, তাঁদের জায়গায় নতুন মুখ আসতে পারে।
পুর প্রশাসনে নজরদারি: একাধিক পুরসভায় আসছে পরিবর্তন
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, নজর থাকবে কলকাতা ও জেলার পুরসভাগুলির কর্মদক্ষতার উপর। বিশেষ করে যেসব পুরসভার কাজ নিয়ে অভিষেক আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন, সেগুলিতে রদবদল নিশ্চিত।ইতিমধ্যেই পুরস্তরে কার্যকারিতা যাচাই শুরু হয়েছে। কর্মক্ষমতা না দেখাতে পারলে চেয়ার খোয়ানোর আশঙ্কায় রয়েছেন একাধিক পুর প্রশাসক।

দলের অভ্যন্তরে তৎপরতা: নিষ্ক্রিয়দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
দলীয় সূত্রে খবর, সংগঠনের তৃণমূল স্তর থেকেই কর্মক্ষমতা যাচাই শুরু হয়েছে। যারা দলে আছেন কিন্তু সক্রিয় নন, তাঁদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সংগঠনের প্রতিটি ব্লক ও ওয়ার্ডে রিপোর্ট তোলা হচ্ছে জেলা নেতৃত্বের কাছে। এই মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আসবে বড় রদবদলের সিদ্ধান্ত।
নির্বাচনের আগে প্রস্তুতি: দলে নতুন গতি আনতে চায় তৃণমূল
বিধানসভা ভোটের আর হাতে গোনা কয়েক মাস। তাই দলে নতুন উদ্যম আনতে এই রদবদলকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। একদিকে এসআইআর বিতর্কে দলের অন্দরমহলে চাপ, অন্যদিকে সাংগঠনিক কাঠামোকে চাঙ্গা করার প্রচেষ্টা— এই দুই দিক সামলাতেই নেতৃত্ব চাইছে “রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড” দলীয় কাঠামো।

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। সূত্রের খবর, আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই দলে সাংগঠনিক স্তরে রদবদল হতে চলেছে। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন— পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই আসবে পরিবর্তন। এবার তারই প্রতিফলন দেখা যাবে দলে ও পুর প্রশাসনে।










