Virat Kohli: সময় বদলায়, ফরম্যাট বদলায়—কিন্তু বিরাট কোহলির রানের খিদে বদলায় না। প্রায় ১৫ বছর পর বিজয় হাজারে ট্রফিতে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেই দিল্লির জার্সিতে ম্যাচ-উইনিং শতরান হাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি এখনও একদিনের ক্রিকেটের মাপকাঠি।
![]()
প্রত্যাবর্তনের মঞ্চেই রাজকীয় ইনিংস
২৯৯ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ইনিংসের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন কোহলি। কোনও তাড়াহুড়ো নয়, অযথা ঝুঁকি নয়—চেনা ধৈর্য আর নিখুঁত পরিকল্পনায় তিনি ম্যাচের রাশ ধরেই রাখেন।
চাপ সামলে গতি বাড়ানোর মাস্টারক্লাস
ইনিংসের প্রথম ভাগে সময় নিয়ে সেট হওয়ার পর ধীরে ধীরে স্ট্রাইক রেট বাড়ান দিল্লির এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। বোলারদের ভুলের অপেক্ষায় থেকে সুযোগ পেলেই শাস্তি—এই কৌশলেই ভাঙেন প্রতিপক্ষের মনোবল।
![]()
অফসাইডে শিল্পীর তুলির টান
কোহলির অফসাইড ব্যাটিং ছিল চোখ জুড়ানো। কভার ও এক্সট্রা কভার দিয়ে নিখুঁত টাইমিংয়ে একের পর এক শট, সঙ্গে লং অফ ও কভারের উপর দিয়ে আক্রমণাত্মক ছক্কা—সব মিলিয়ে বোলারদের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।
দৌড়েই বাড়ল রানের ভাঁড়ার
শুধু বাউন্ডারি নয়, উইকেটের মাঝে দৌড়েও ছিলেন দুরন্ত। সিঙ্গেলস ও ডাবলস মিলিয়ে বড় অংশ রান সংগ্রহ করেন তিনি, যা এই ইনিংসকে আরও পরিণত ও কার্যকর করে তোলে।
![]()
ইতিহাসের পাতায় আরও এক অধ্যায়
এই ইনিংসের মধ্য দিয়েই লিস্ট এ ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন কোহলি। সচিন তেন্ডুলকারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি—যা তাঁর ধারাবাহিকতারই প্রমাণ।
![]()
প্রায় দেড় দশক পর ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন করেই নিজের ক্লাসের প্রমাণ দিলেন বিরাট কোহলি। বিজয় হাজারে ট্রফিতে দিল্লির হয়ে ১০১ বলে ১৩১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে শুধু দলকে জয়ই নয়, ভক্তদের মনে ফেরালেন পুরনো ‘কিং কোহলি’-কে।










