ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। Bardhaman-এ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করে মাঠে নেমে পড়লেন পুলিশ কর্তারা। লক্ষ্য একটাই—স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও নির্ভীক ভোটগ্রহণ।
ভোটের আগে কড়া নজরদারি ও রুট মার্চউচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কড়া বার্তা
Vishal Garg এবং Shrihari Pandey বর্ধমানে এসে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার Sayak Das-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলার কথা জানানো হয়।
‘জিরো টলারেন্স’ নীতি স্পষ্ট
এডিজি স্পষ্ট জানিয়েছেন—বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট, ভীতি প্রদর্শন বা প্ররোচনার মতো কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
মাঠে নামল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী
স্থানীয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে রুট মার্চ শুরু করেছে। বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং চালানো হচ্ছে, যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা আগেই রোখা যায়।
ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে জোর
ডিআইজি Shrihari Pandey নিজে রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ায় এবং আস্থা গড়ে তোলে।
অভিযোগ পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও অভিযোগ এলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানার ফোন নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত ভোটের দিন ও প্রস্তুতি
২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে। তার আগে প্রতিটি থানায় আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ ও ব্রিফিং সম্পন্ন করা হয়েছে, যাতে ভোটের দিন কোনও সমস্যা না হয়।
আসন্ন West Bengal Assembly Elections 2026-এর আগে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন। বর্ধমানে বৈঠক করে এডিজি Vishal Garg কড়া নির্দেশ দিলেন—বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট বা ভীতি প্রদর্শনে কোনও রকম সহনশীলতা নয়।










