মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা। Iran ও United States-এর মধ্যে সম্পর্ক এখন তলানিতে। কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক।
যুদ্ধের আবহে তীব্র কূটনৈতিক সংকট
‘চিরতরে শেষ’ আলোচনা—স্পষ্ট ঘোষণা
Abbas Araghchi এক ভিডিও বার্তায় জানান, আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার সমস্ত সম্ভাবনা শেষ। তাঁর অভিযোগ, ‘হামলা না করার প্রতিশ্রুতি’ ভেঙে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
কূটনীতির দরজা বন্ধ, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা
ইরানের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে থাকা শেষ কূটনৈতিক পথও বন্ধ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।
হরমুজ ইস্যুতে চরম উত্তেজনা
Strait of Hormuz ঘিরে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী না খুললে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরান জানিয়েছে, হামলা বন্ধ না হলে শুধু আমেরিকাই নয়, পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন-ঘনিষ্ঠ দেশগুলিকেও ‘বড় মূল্য’ দিতে হবে। এমনকি তেল শোধনাগার, তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র ও জল পরিশোধন প্রকল্পগুলিকেও নিশানা করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত।
‘বিশ্বাস ভেঙেছে’—কড়া প্রতিক্রিয়া
আরাঘচির কথায়, “এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত তিক্ত। আমেরিকার উপর আর কোনও বিশ্বাস নেই।” তাঁর মতে, এই যুদ্ধ পরিস্থিতি কূটনীতির পথ চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে।
আমেরিকার সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা বন্ধ ঘোষণা করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী Abbas Araghchi। হামলার অভিযোগ তুলে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র তীব্র অভিযোগ আনলেন তিনি, একইসঙ্গে আরও বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও দিল তেহরান।










