শীত যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল উপকূলে। বুধবার সকাল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ-সহ উপকূলীয় এলাকায় ঘন কুয়াশা আর তীব্র ঠান্ডার জেরে কার্যত অচল স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৩০ মিটারে, ফলে রাস্তাঘাটে বেরোতেই সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
সূর্যোদয় হলেও দেখা মেলেনি সূর্যের
সকাল ৬টা ১৭ মিনিটে সূর্যোদয়ের সময় হলেও কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে থাকে গোটা উপকূল। সকাল গড়ালেও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি কাকদ্বীপ ও সংলগ্ন এলাকায়। শীতের তীব্রতায় সাধারণ মানুষ থেকে নিত্যযাত্রীরা সকলেই বিপর্যস্ত।
পারদ আরও নামল, শীতের দাপট বাড়ছে
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বর্তমানে উপকূলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ২২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামী ২–৩ দিনে পারদ আরও কিছুটা নামতে পারে। গঙ্গাসাগর মেলা পর্যন্ত এই শীতল আবহাওয়া বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই ইঙ্গিত।
উত্তুরে হাওয়ায় বাড়ছে শীতের অনুভূতি
বর্তমানে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ প্রায় ৭১ শতাংশ। ইউভি ইনডেক্স রয়েছে ২। ঘণ্টায় প্রায় ১১ কিলোমিটার বেগে উত্তর দিক থেকে হাওয়া বইছে, যার ফলে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠছে। তবে আপাতত বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।
যান চলাচল ও পরিষেবায় সমস্যা
ঘন কুয়াশার জেরে সকালবেলা ফেরি পরিষেবা ও ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় যানবাহন চালাতে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন। আগামী কয়েক দিন আবহাওয়ার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকায় এই সমস্যা আরও কিছুদিন চলতে পারে।
প্রবল ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলীয় এলাকায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৩০ মিটারে। যান চলাচল থেকে শুরু করে ফেরি ও ট্রেন পরিষেবায় পড়েছে প্রভাব। শীতের কামড়ে বিপর্যস্ত জনজীবন।











