উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে মূর্তি বিসর্জনের জন্য যাওয়ার সময় জেনারেটরে আগুন লেগে ১৬ বছরের এক কিশোর ঝলসে গিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আহত কিশোরকে চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
জানা গিয়েছে, মূর্তি বিসর্জনের শোভাযাত্রা বা গাড়ির সঙ্গে জেনারেটর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় আচমকা জেনারেটরে আগুন ধরে যায়। আগুনের সংস্পর্শে এসে কিশোরটি ঝলসে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিসর্জনের জন্য যাওয়া লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তবে কী কারণে জেনারেটরে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি, জ্বালানির সমস্যা নাকি অন্য কোনও কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আহত কিশোরকে সুলতানপুরের মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। কিশোরের আঘাতের মাত্রা, শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনও কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। চিকিৎসকেরা তার শারীরিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। এই ঘটনায় কিশোরের পরিবার ও পরিচিতদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মূর্তি বিসর্জনের মতো অনুষ্ঠানে জেনারেটর, বৈদ্যুতিক তার, আলোর ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। জেনারেটর নিরাপদ স্থানে রাখা, জ্বালানি লিক হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা, দাহ্য পদার্থ দূরে রাখা এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার মতো ব্যবস্থা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। শোভাযাত্রার সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিচালিত যন্ত্রপাতির উপর নজর রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ।
সুলতানপুরের এই ঘটনার পর জেনারেটরে আগুন লাগার সঠিক কারণ এবং আহত কিশোরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। আপাতত মেডিক্যাল কলেজে তার চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।











