বীরভূমের রামপুরহাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে সোমবার কার্যত রাজনৈতিক শোরগোল। নির্ধারিত সময়ে উড়তে দেওয়া হল না তাঁর জন্য বরাদ্দ হেলিকপ্টার। টানা প্রায় দু’ঘণ্টা অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের হেলিকপ্টারে চেপেই রামপুরহাটে পৌঁছলেন অভিষেক।
হেলিকপ্টার বিতর্কে শুরু সভার আগেই উত্তেজনা
তৃণমূল সূত্রে খবর, দুপুর ১২টা নাগাদ বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার ওড়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ডিজিসিএ-র অনুমতি না মেলায় কপ্টার ওড়েনি। ফলে সভায় পৌঁছনো নিয়ে তৈরি হয় চরম অনিশ্চয়তা।
দু’ঘণ্টার অপেক্ষা, তারপর শর্তসাপেক্ষ অনুমতি
টানা প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর অবশেষে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের তরফে উড়ানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে সেই অনুমতি মেলে অভিষেকের নির্ধারিত হেলিকপ্টারের জন্য নয়। বিকল্প হিসেবে হেমন্ত সোরেনের ব্যবহৃত হেলিকপ্টারেই বীরভূমে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
সভায় পৌঁছতে দেরি, কর্মসূচিতে প্রভাব
এই টালবাহানার জেরে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে রামপুরহাটে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সভা শুরু হতেও বিলম্ব হয়। তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রশাসনিক জটিলতার কারণেই পুরো কর্মসূচির সময়সূচিতে প্রভাব পড়ে।
ডিজিসিএ অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ তৃণমূলের
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, ডিজিসিএ-র তরফে কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে অপেক্ষায় বসে থাকতে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলকে।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘রণ সংকল্প যাত্রা’ এবং রামপুরহাটের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ব্যাহত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল সরাসরি কেন্দ্রের দিকেই।
রামপুরহাটের রাজনৈতিক সভা ঘিরে তীব্র নাটক। নির্ধারিত সময়ে নিজের হেলিকপ্টার ওড়ানোর অনুমতি না মেলায় শেষ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের হেলিকপ্টারেই বীরভূমে পৌঁছতে হল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।











