বলিউড বিতর্কিত ছবি: ১৯৯৯ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে দুটি ছবি বক্স অফিসে হিট হয়েছিল, কিন্তু তাদের পেছনে ছিল প্রেম, বিতর্ক এবং টানাপোড়েন। ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ও ‘দেবদাস’ ছবি পরিচালনা করেছিলেন সঞ্জয় লীলা বনসালি। সলমন খান, শাহরুখ খান এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা এবং সেটের সমস্যার কারণে প্রযোজকরা সাফল্য পেলেও নায়ক-নায়িকাদের কপাল পুড়েছিল।
হাম দিল দে চুকে সনম – ১৯৯৯
১৮ জুন ১৯৯৯ সালে মুক্তি পায় ‘হাম দিল দে চুকে সনম’। পরিচালনা ও চিত্রনাট্য সঞ্জয় লীলা বনসালির। সলমন খান, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ও অজয় দেবগণ অভিনয় করেছিলেন। গান ও সঙ্গীত অসাধারণ ছিল। ছবি বক্স অফিসে হিট হলেও সলমন ও ঐশ্বর্যের প্রেম এবং বিচ্ছেদ সেটের বাইরে বড় বিতর্কের জন্ম দেয়।
দেবদাস – ২০০২
২০০২ সালে মুক্তি পায় ‘দেবদাস’। শাহরুখ খান, ঐশ্বর্য রাই, মাধুরী দীক্ষিত ও জ্যাকি শ্রফ অভিনীত এই ছবি বক্স অফিসে সফল হয়। কিন্তু এই ছবির সেটেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যা এবং টানাপোড়েন চলতে থাকে।
ঐশ্বর্য ও বিবেক ওবেরয় – সম্পর্কের জট
বিচ্ছেদের পর ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং বিবেক ওবেরয়ের সম্পর্কের কারণে সলমন খান অসন্তুষ্ট ছিলেন। বিবেক মিডিয়ার কাছে খোলাখুলি অভিযোগ করেন যে সলমন তাঁর কেরিয়ার নষ্ট করেছেন এবং ছবিগুলো থেকে সরিয়েছেন। এছাড়া, ঐশ্বর্যও এই বিতর্কে জড়িত ছিলেন।
ফলপ্রতিক্রিয়া – নায়ক-নায়িকার কপাল
এই বিতর্ক শুধুই বিবেকের কেরিয়ারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি। সলমন, ঐশ্বর্য এবং অন্যান্য নায়ক-নায়িকারও প্রভাব পড়েছে। পরবর্তী সেলিব্রিটি ছবির কাস্টিং এবং শ্যুটিংয়ে এই সমস্যা প্রভাব ফেলেছে, যেমন ‘গোলিও কি রাসলীলা: রাম লীলা’ এবং ‘বাজিরাও মস্তানি’।
সেলিব্রিটি হট্টগোল
সলমন খানের কারণে ঐশ্বর্য অভিনীত বিভিন্ন ছবির সেটে হট্টগোল দেখা যায়। এমনকি সুভাষ ঘাই এবং অন্যান্য প্রযোজকদের সঙ্গে সম্পর্কেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে মিডিয়াতে এই বিষয়ে খোলাখুলি মন্তব্য করা হয়নি।
১৯৯৯–২০০২ সালের দুটি হিট ছবি ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ও ‘দেবদাস’-এর পেছনে ছিল তিনটি পরিবারের টানাপোড়েন। সলমন খান, শাহরুখ খান ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সম্পর্কের জটিলতা, প্রেম-বিচ্ছেদ এবং সেটের বিতর্ক এখনও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। প্রযোজক ও পরিচালকরা সাফল্য পেয়েও নায়ক-নায়িকাদের কপাল ঝুলেছিল।













