Christmas 2025: দিঘার কাছেই পর্তুগিজ পাড়ায় বড়দিনের ছুটি, প্রথমবার হোম-স্টের সুযোগ

Christmas 2025-এ দিঘার অদূরে মহিষাদলের পর্তুগিজ পাড়ায় বড়দিন কাটান। ইতিহাস ও উৎসবের আবহে প্রথমবার হোম-স্টের সুযোগ, জানুন বিস্তারিত।

Christmas 2025-এ সমুদ্র নয়, বরং ইতিহাস আর উৎসবের মিলনস্থলে ছুটি কাটাতে চান? তাহলে দিঘার অদূরে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের গেঁওখালির মীরপুর গ্রামের পর্তুগিজ পাড়া হতে পারে আপনার আদর্শ গন্তব্য। প্রথমবার পর্যটকদের জন্য সেখানে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এলেন স্থানীয় বাসিন্দারাই।

বড়দিন মানেই উৎসব, পর্তুগিজ পাড়ায় আলাদা আবহ

প্রতি বছর ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মীরপুরের পর্তুগিজ পাড়ায় বড়দিন ও বর্ষবরণের উৎসব চলে টানা। রোমান ক্যাথলিক ও সিএনআই—দু’টি চার্চকে ঘিরে আলো, গান ও প্রার্থনায় মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এতদিন পর্যটকেরা উৎসবে অংশ নিলেও সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে যেতে বাধ্য হতেন।

রাত্রিযাপনের অভাবই ছিল বড় বাধা

ভিন জেলা থেকে বহু পর্যটক এলেও হোটেল বা হোম-স্টে না থাকায় রাত কাটানোর সুযোগ মিলত না। ফলে উৎসবের পূর্ণ স্বাদ না নিয়েই হতাশ মনে ফিরতে হতো তাঁদের। এই সমস্যাই বদলাতে উদ্যোগী হয়েছেন গ্রামবাসীরা।

স্থানীয়দের উদ্যোগে হোম-স্টে তৈরির পরিকল্পনা

পর্যটকদের আরও কাছে টানতে কয়েকটি পরিবার নিজেদের বাড়ির ঘর সাজিয়ে হোম-স্টে বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উদ্যোক্তাদের মতে, এতে শুধু পর্যটকের সুবিধাই হবে না, গ্রামেও নতুনভাবে পর্যটন অর্থনীতি গড়ে উঠবে।

ইতিহাসে মোড়া পর্তুগিজ পাড়ার গল্প

মহিষাদলের ইতিহাস বলছে, ১৭৪২ সালে বর্গী হামলার সময় রাজপরিবারের রানি জানকীর উদ্যোগে পর্তুগাল থেকে ১২ জন পর্তুগিজকে এনে গেঁওখালির মীরপুরে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়। সেই থেকেই গড়ে ওঠে এই পর্তুগিজ পাড়া, যা আজও নিজের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

Christmas 2025-এ পর্যটনের নতুন ঠিকানা

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বড়দিনের উৎসব—সব মিলিয়ে এই পর্তুগিজ পাড়ায় রাত্রিযাপন পর্যটকদের দেবে একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা। উদ্যোক্তারা আশাবাদী, শীতকালীন পর্যটন মরশুমে এই গ্রাম হয়ে উঠবে দিঘার বিকল্প আকর্ষণ।

বড়দিনে দিঘার ভিড় এড়িয়ে ইতিহাস ও উৎসবের আবহে ছুটি কাটানোর নতুন ঠিকানা মিলল পূর্ব মেদিনীপুরে। গেঁওখালির মীরপুরের ঐতিহ্যবাহী পর্তুগিজ পাড়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে হোম-স্টে, যা Christmas 2025-এ পর্যটকদের জন্য খুলে দিতে পারে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

Leave a comment