পরিবেশ দূষণ ও অপরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে এবার সরাসরি মাঠে নামল বর্ধমানের যুবসমাজ। 'ক্লিন বর্ধমান, গ্রিন বর্ধমান' স্লোগানকে সামনে রেখে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একদিনের প্রতীকী কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছর ধরে এই উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শহরজুড়ে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিকল্পনা
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে রয়েছে, সেখানে সদস্যরা নিজেরাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন। প্রয়োজনে স্থানীয় পুরসভা ও প্রশাসনের সহযোগিতাও নেওয়া হবে, যাতে বৃহত্তর পরিসরে কাজ করা সম্ভব হয়। লক্ষ্য একটাই— বর্ধমানকে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং বাসযোগ্য শহরে পরিণত করা।
সপ্তাহে একদিন বিশেষ অভিযান, সচেতনতার ওপরও জোর
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, শুধু আবর্জনা পরিষ্কার করাই নয়, নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাও এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানোর পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
'শুধু প্রশাসনের নয়, নাগরিকদেরও দায়িত্ব'
সংগঠনের সদস্যদের মতে, একটি শহরকে পরিষ্কার রাখা শুধুমাত্র প্রশাসনের একার কাজ নয়। নাগরিকদের অসচেতনতার কারণেই অনেক জায়গায় আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষণের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নিকাশি নালা ও ড্রেন পরিষ্কার থাকলে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাই প্রত্যেক বাসিন্দাকে নিজের এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও সংগঠনকে যুক্ত করার উদ্যোগ
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, নিজেদের ব্যক্তিগত কাজের পাশাপাশি সময় বের করেই এই সামাজিক উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন সদস্যরা। আগামী দিনে শহরের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষকেও এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা সম্ভব বলে তাঁদের বিশ্বাস।
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বর্ধমান গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে পরিবেশ সচেতন করার কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে।










