বলিউডে পাকিস্তানি শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। এবার সেই বিতর্ক ফের উসকে দিল ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ। অভিনেতা অভয় অরোরা-র মন্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—নিষেধাজ্ঞা কি সবার জন্য সমান?
‘অভয়ের মন্তব্যেই শুরু বিতর্ক’
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভয় অরোরা জানান, ব্যাংককে শুটিং চলাকালীন সেটে এমন কয়েকজন ছিলেন, যাঁরা করাচির লিয়ারির বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ভিড়ের দৃশ্যে অভিনয়ও করেছেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দেয়।
‘দিলজিৎ বনাম রণবীর—দ্বিচারিতা?’
২০২৫ সালে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ তাঁর ছবি সর্দারজি ৩-তে পাকিস্তানি শিল্পীদের কাস্ট করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এমনকি বয়কটের ডাকও ওঠে।
কিন্তু এবার রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ সিরিজে একই ধরনের অভিযোগ উঠলেও সেই মাত্রার প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না—এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
‘পরিচালকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন’
ছবিটির পরিচালক আদিত্য ধর। দেশভক্তির আবহে তৈরি এই সিনেমায় পাকিস্তানি ব্যক্তিদের যুক্ত থাকার বিষয়টি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। সমালোচকদের দাবি, এখানে ‘নিয়মের প্রয়োগ’ নিয়ে অসঙ্গতি স্পষ্ট।
‘প্রোপাগান্ডা তকমা, রাজনৈতিক বিতর্ক’
রিলিজের পর থেকেই ছবিটি ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা পেয়েছে। দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শকে সামনে রেখে সিনেমাটি তৈরি। ফলে এই বিতর্ক আরও জটিল আকার নিয়েছে।
‘পুলওয়ামার পর কঠোর নিষেধাজ্ঞা’
Pulwama Attack-এর পর থেকেই বলিউডে পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজ করা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। আগে যেখানে রাহাত ফতেহ আলি খান, আতিফ আসলাম বা ফাওয়াদ খান নিয়মিত কাজ করতেন, এখন সেই পথ প্রায় বন্ধ।
বলিউডে পাকশিল্পীদের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে তাঁদের উপস্থিতির অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে—একই ঘটনায় কেন আলাদা মাপকাঠি?













