‘সক্রিয়’ হতেই দিলীপের বিবাহিত জীবন নিয়ে কুৎসা! সাইবার থানায় অভিযোগ দিলীপপত্নী রিঙ্কুর

‘সক্রিয়’ হতেই দিলীপের বিবাহিত জীবন নিয়ে কুৎসা! সাইবার থানায় অভিযোগ দিলীপপত্নী রিঙ্কুর

বঙ্গ বিজেপিতে ফের সক্রিয় হতেই নয়া বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ। এবার রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই কুৎসার অভিযোগ উঠল। সোশাল মিডিয়ায় দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মানহানিকর মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন দিলীপপত্নী রিঙ্কু মজুমদার।

সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার কুৎসার অভিযোগ

বিধাননগর থেকে বিধান নস্কর জানাচ্ছেন, সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় দিলীপ ঘোষের বিবাহিত জীবন নিয়ে একের পর এক আপত্তিকর পোস্ট করা হচ্ছিল। অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে এনে মানহানি করা হচ্ছে।

বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এফআইআর

এই ঘটনার পর বাধ্য হয়েই বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রিঙ্কু মজুমদার। অভিযোগ পেতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলির কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যে অ্যাকাউন্টগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ

রিঙ্কুর অভিযোগ অনুযায়ী, ‘অনন্যা চট্টোপাধ্যায়’ ও ‘ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী’ নামের দুটি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত দিলীপ ঘোষের বিবাহিত জীবন নিয়ে মিথ্যা, কুরুচিকর ও মানহানিকর মন্তব্য পোস্ট করা হচ্ছিল।

রিঙ্কু মজুমদারের স্পষ্ট বার্তা

অভিযোগ দায়েরের পর রিঙ্কু বলেন,“অনেকদিন ধৈর্য ধরেছিলাম। কিন্তু বিষয়টা আর ব্যক্তিগত রইল না। আমার চরিত্র, স্বামী, পরিবার—সব কিছু নিয়ে লাগাতার কুরুচিকর মন্তব্য চলছিল। তাই বাধ্য হয়েই সাইবার থানায় এসেছি। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

দিলীপ ঘোষ কী বললেন?

পুরো বিষয়টি নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় দিলীপ ঘোষ বলেন,

বিয়ের পর থেকেই নজরে দিলীপ-রিঙ্কু

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে নিউটাউনের বাড়িতে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে রিঙ্কু মজুমদারকে বিয়ে করেন দিলীপ ঘোষ। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা কটাক্ষ, সমালোচনা ও চর্চা চলছিল সোশাল মিডিয়ায়।

হানিমুন নিয়েও বিতর্ক

বিয়ের পর আন্দামানে হানিমুনে যাওয়াকেও কেন্দ্র করে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় এই দম্পতিকে। তবে সেই সময় এসব সমালোচনায় বিশেষ গুরুত্ব দেননি দিলীপ ঘোষ।

রাজনীতিতে সক্রিয় হতেই বাড়ল আক্রমণ?

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপির রাজ্য রাজনীতিতে দিলীপ ঘোষ ফের সামনে আসতেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে আক্রমণের হাতিয়ার করা হচ্ছে। বিষয়টি তাই শুধু ব্যক্তি নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলেও মনে করছেন অনেকে।

রাজনীতিতে ফের সক্রিয় হওয়ার পরই দিলীপ ঘোষ ও তাঁর বিবাহিত জীবনকে নিশানা করে সোশাল মিডিয়ায় কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগ। মানহানিকর ও আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এফআইআর দায়ের করলেন দিলীপপত্নী রিঙ্কু মজুমদার।

Leave a comment