জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে পড়ুয়াদের সামনে এখন বইয়ের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ—হাতির আতঙ্ক। জঙ্গলঘেরা এলাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে গিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা ও তাঁদের অভিভাবকেরা। অভিযোগ উঠছে, এই পরিস্থিতিতে বন দপ্তরের ভূমিকা কার্যত নিস্ক্রিয়।
জঙ্গলপথে প্রতিদিন হাতির চলাচল
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই হাতির চলাচল বেড়েছে। বিশেষ করে ভোর ও সন্ধ্যার দিকে জঙ্গলপথ ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঠিক এই সময়েই বহু পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়, যা আতঙ্ক আরও বাড়িয়েছে।
বন দপ্তরের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
অভিযোগ, অতীতে হাতির উপদ্রবের সময় পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হলেও এবার বহু গ্রাম থেকেই তেমন কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। না রয়েছে পর্যাপ্ত বনকর্মী মোতায়েন, না আছে নিরাপদ করিডরের ব্যবস্থা—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিধায়কের দাবি
তবে এই অভিযোগকে কার্যত খারিজ করে দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক। তাঁর দাবি, পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আতঙ্কের মাঝেই পরীক্ষা প্রস্তুতি
একদিকে হাতির ভয়, অন্যদিকে পরীক্ষার চাপ—দুয়ের মধ্যেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পড়ুয়ারা। অনেক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক চাইছেন, পরীক্ষা চলাকালীন জঙ্গলপথে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।
জঙ্গলপথে হাতির আতঙ্কে বিপন্ন পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও বহু গ্রাম থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর বিশেষ ব্যবস্থা করেনি বন দপ্তর বলে অভিযোগ। তবে বিধায়কের দাবি, পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষায় প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা করেছে।










