দিল্লির পশ্চিম বিহারে জিমে গভীর রাতে গুলিবর্ষণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় দায় স্বীকারের দাবি

দিল্লির পশ্চিম বিহারে জিমে গভীর রাতে গুলিবর্ষণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় দায় স্বীকারের দাবি

দিল্লির পশ্চিম বিহার এলাকায় একটি জিমে গভীর রাতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সময় ও স্থান

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী রাতে পশ্চিম বিহারে অবস্থিত আরকে ফিটনেস জিমকে লক্ষ্য করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা গুলিবর্ষণ করে। ঘটনার সময় জিমটি বন্ধ ছিল এবং ভেতরে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। গুলির শব্দ শোনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন।

ঘটনাস্থলে পুলিশের পদক্ষেপ

খবর পাওয়ার পর দিল্লি পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। জিমের আশপাশে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। ফরেনসিক দলকে ডেকে প্রযুক্তিগত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি জীবিত কার্তুজ উদ্ধার করে পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দায় স্বীকারের দাবি

গুলিবর্ষণের কয়েক ঘণ্টা পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট প্রকাশ পায়, যেখানে নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত দাবি করা রণদীপ মালিক এই ঘটনার দায়িত্ব নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি প্রকাশের পর পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক হয়।

পোস্টে উল্লেখিত হুমকি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, জিমের মালিককে আগে ফোন করা হয়েছিল, কিন্তু সেই কলের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পোস্টে আরও বলা হয়েছে, কল উপেক্ষা করার কারণেই গুলিবর্ষণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ফোন উপেক্ষা করা হলে আরও গুরুতর পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য গোষ্ঠীর নামের উল্লেখ

রণদীপ মালিকের পোস্টে দায় স্বীকারের পাশাপাশি একাধিক অপরাধী গোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে লরেন্স বিষ্ণোই গ্রুপ, জিতেন্দ্র গোগী মান গ্রুপ, হাশিম বাবা গ্রুপ এবং কালা রানা গ্রুপের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সিসিটিভি ও ডিজিটাল তদন্ত

পুলিশ এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে, যাতে হামলাকারীদের গতিবিধি ও পালানোর পথ চিহ্নিত করা যায়। পাশাপাশি স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত পোস্টটি সত্যিই রণদীপ মালিকের অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সাইবার সেলকে তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে।

 

Leave a comment