হৃদরোগ মানেই বয়স্কদের সমস্যা—এই ধারণা এখন ভাঙছে। সাম্প্রতিক গবেষণা এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, ৩০-এর কোঠা পেরোলেই শুরু হতে পারে ঝুঁকি। Shefali Jariwala-এর অকাল মৃত্যু সেই আশঙ্কাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
![]()
গবেষণায় কী বলছে?
Northwestern Medicine-এর সাম্প্রতিক গবেষণা, যা Journal of the American Heart Association-এ প্রকাশিত, জানাচ্ছে—৩৫ বছর বয়সের পর থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে শুরু করতে পারে। অর্থাৎ তরুণ বয়সেও সতর্ক থাকা জরুরি।
মানসিক চাপ—নীরব ঘাতক
চিকিৎসকদের মতে, আজকের দ্রুতগতির জীবনে মানসিক চাপ বড় কারণ। কাজের চাপ, অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব—সব মিলিয়ে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বাড়ে। এতে রক্তচাপ, হার্টবিট এবং রক্তনালীর ওপর চাপ পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিপজ্জনক।
কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কতটা ভয়ঙ্কর?
বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়া, অস্বাভাবিক হার্টবিট (২৫০-৩৫০ bpm পর্যন্ত) দেখা যায়। দ্রুত চিকিৎসা না হলে কয়েক মিনিটেই মৃত্যু হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই প্রাণ হারান।
![]()
জীবনযাত্রাই বাড়াচ্ছে ঝুঁকি
অনিয়মিত ঘুম, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকা—সবই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে ৩০-৪০ বয়সীদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলি বেশি দেখা যাচ্ছে।
![]()
চিকিৎসকদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন—
নিয়মিত ব্যায়াম
সুষম খাদ্য
পর্যাপ্ত ঘুম
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
এই কয়েকটি অভ্যাসই হার্টের ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারে।
![]()
মাত্র ৪১ বছর বয়সে হৃদরোগে মৃত্যু Shefali Jariwala-এর। চিকিৎসকদের মতে, এখন আর শুধু বয়স্কদের নয়—৩০-৩৫ বছর বয়স থেকেই বাড়তে পারে হার্টের রোগের ঝুঁকি। জীবনযাত্রা, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত অভ্যাসই এর প্রধান কারণ।













