শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে গিয়ে যদি খুঁজে নিতে চান মন ভাল করার জায়গা, তাহলে হাওড়ার ডোমজুড় ব্লকের পার্বতীপুরে অবস্থিত বাবা ভুলেশ্বর ধাম হতে পারে আপনার আদর্শ গন্তব্য। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে ছুটে আসেন মানসিক শান্তির খোঁজে।
ব্যস্ততার মাঝেই প্রশান্তির ঠিকানা
ডোমজুড়ের ঘন জনবসতির মধ্যেই সবুজে ঘেরা এই মন্দির চত্বর যেন এক টুকরো স্বর্গ। বাইরে ব্যস্ত রাস্তা, গাড়ির আওয়াজ—কিন্তু ভিতরে ঢুকলেই যেন অন্য এক জগৎ। বড় বড় গাছ, নিরিবিলি পরিবেশ আর শান্ত আবহ ভক্তদের মনে এনে দেয় প্রশান্তি।
ভক্তি ও প্রকৃতির মেলবন্ধন
এখানে শুধু ধর্মীয় অনুভূতিই নয়, প্রকৃতির সান্নিধ্যও মানুষকে টানে। সকাল-বিকেল বিভিন্ন বয়সের মানুষ আসেন প্রার্থনা করতে, কেউ আবার নিছক কিছুটা নির্জনতা খুঁজতেই হাজির হন।
নির্দিষ্ট সময়েই দর্শন, মিস করলে আফসোস
প্রতিদিন সকাল ৬:৩০ থেকে দুপুর ১২:৩০ এবং বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে মন্দিরের দরজা। নির্দিষ্ট সময়ে না গেলে দর্শন মিস করার সম্ভাবনা থাকায় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে যাওয়াই ভাল।
সহজ যাতায়াত, শহরের কাছেই স্বর্গ
হাওড়া-আমতা রোড থেকে খুব অল্প দূরত্বে অবস্থিত এই মন্দিরে পৌঁছনো বেশ সহজ। তাই সপ্তাহান্তে বা অবসরে একদিনের ছোট্ট ট্রিপ হিসেবেও এটি হতে পারে চমৎকার অপশন।
ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের দীর্ঘ ইতিহাস
প্রায় ৪০ বছর আগে শশধর দাস ও গৌরী বালা দাস এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতি বছর ১০ জ্যৈষ্ঠ এখানে ধুমধাম করে বাৎসরিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়, যা এলাকাবাসীর কাছে এক বড় উৎসব।
হাওড়ার ডোমজুড়ে অবস্থিত বাবা ভুলেশ্বর ধাম এখন মানসিক শান্তির অন্যতম ঠিকানা। ব্যস্ত সড়কের পাশে হলেও মন্দির চত্বরে ঢুকলেই মিলবে এক অন্য জগৎ—নিরিবিলি পরিবেশ, ভক্তি আর প্রশান্তির আবহ।













