তীব্র দাবদাহে নাজেহাল বঙ্গবাসী। রোদের তাপে শরীর থেকে দ্রুত জল বেরিয়ে যাওয়ায় বাড়ছে ক্লান্তি ও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভরসা রাখছেন ঠান্ডা পানীয়ের উপর। আর সেই তালিকায় এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাল শাঁসের শরবত। কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবার-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন বাজারে এখন মিলছে কচি তাল শাঁস।
![]()
কী কী লাগবে এই শরবত বানাতে?
বাড়িতেই খুব সহজে তৈরি করা যায় এই স্বাস্থ্যকর শরবত। তার জন্য লাগবে—
কচি তালের শাঁস – ২টি
ঠান্ডা জল – ৫ কাপ
লেবুর রস – ২ চা চামচ
চিনি – স্বাদমতো
বরফ কুচি – পরিমাণমতো
এই কয়েকটি উপকরণ থাকলেই মিনিট দশেকের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে গরমের সেরা পানীয়।
![]()
সহজ পদ্ধতিতে বানিয়ে ফেলুন তাল শাঁসের শরবত
প্রথমে কচি তাল শাঁসের খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারে তাল শাঁস ও জল একসঙ্গে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। চাইলে মিশ্রণটি ছেঁকে নেওয়া যেতে পারে। তারপর তাতে মিশিয়ে দিতে হবে লেবুর রস ও চিনি। শেষে বরফ কুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করলেই তৈরি তাল শাঁসের শরবত।
কেন উপকারী এই পানীয়?
রায়দিঘি কলেজের পুষ্টিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরবিন্দা স্ব জানিয়েছেন, তাল শাঁস শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরমের দিনে শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এটি ডিহাইড্রেশন রোধেও কার্যকর। এছাড়া শরীরে সতেজভাব ফিরিয়ে আনতেও এই শরবতের জুড়ি মেলা ভার।
![]()
বাজারের কোল্ড ড্রিঙ্কস ছেড়ে ভরসা রাখুন ঘরোয়া শরবতে
অতিরিক্ত চিনি ও কৃত্রিম উপাদানে ভরা ঠান্ডা পানীয়ের বদলে এই প্রাকৃতিক শরবত হতে পারে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। শিশু থেকে বড়—সকলেই এই শরবত সহজে খেতে পারেন। গরমের দুপুরে এক গ্লাস তাল শাঁসের শরবত শরীর ও মন দুটোই তরতাজা করে তুলবে।
প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে ও ডিহাইড্রেশন এড়াতে দারুণ কার্যকর তাল শাঁসের শরবত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাজারে এখন সহজেই মিলছে কচি তাল শাঁস। পুষ্টিবিদদের মতে, এই শরবত শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি ক্লান্তি দূর করতেও সাহায্য করে। খুব সহজ উপকরণেই বাড়িতে বানিয়ে নেওয়া যায় এই রিফ্রেশিং পানীয়।








