৩১ মার্চ মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতীয় শেয়ার বাজার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল। এই দিনে Bombay Stock Exchange এবং National Stock Exchange-এ কোনও ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। ফলে ইকুইটি, ইকুইটি ডেরিভেটিভস এবং সিকিউরিটিজ লেন্ডিং অ্যান্ড বোরোয়িং (SLB) সেগমেন্টে কোনও ক্রয়-বিক্রয় বা সেটেলমেন্ট কার্য সম্পন্ন হয়নি।
এই দিনটি ট্রেডিং হলিডে হওয়ার পাশাপাশি সেটেলমেন্ট হলিডে হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। সাধারণত সেটেলমেন্ট হলিডে থাকলে ট্রেডিং চালু থাকে, তবে ক্লিয়ারিং এবং সেটেলমেন্ট হয় না। কিন্তু মহাবীর জয়ন্তী এবং বার্ষিক ব্যাংক ক্লোজিং একসাথে পড়ায় সম্পূর্ণ বাজার বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে স্বল্পমেয়াদি এবং ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিংয়ে যুক্ত বিনিয়োগকারীরা কোনও নতুন পজিশন নিতে পারেননি।
কমোডিটি বাজারে আংশিক কার্যক্রম চালু ছিল। National Commodity and Derivatives Exchange পুরো দিন বন্ধ ছিল। অন্যদিকে Multi Commodity Exchange of India-এ সকালের সেশন বন্ধ থাকলেও সন্ধ্যার সেশন চালু ছিল। বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ট্রেডিং পুনরায় শুরু হয়।
ছুটির আগের সেশনে বাজারে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা যায়। Nifty 50 প্রায় ২.১৪ শতাংশ কমে ২২,৩৩১.৪০ স্তরে বন্ধ হয়। একইভাবে BSE Sensex ২.২২ শতাংশ পতন নিয়ে ৭১,৯৪৭.৫৫ স্তরে শেষ হয়।
এই পতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে প্রভাবিত করেছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে বাজারে বিক্রির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি গ্রহণ থেকে বিরত থেকেছেন।
পূর্ববর্তী সেশনে একাধিক প্রধান শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। Bajaj Finance, Shriram Finance এবং State Bank of India-র শেয়ারে বেশি দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায়, যার প্রভাব ব্যাংকিং ও ফাইনান্সিয়াল সেক্টরে পড়ে।
মিডক্যাপ এবং স্মলক্যাপ সূচকেও ২.৫ শতাংশের বেশি পতন রেকর্ড হয়েছে, যা বাজারে বিস্তৃত বিক্রির ইঙ্গিত দেয়।
সেক্টরভিত্তিক পারফরম্যান্সে ব্যাংকিং এবং ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস সেক্টরে সর্বাধিক পতন হয়েছে। মেটাল এবং অয়েল অ্যান্ড গ্যাস সেক্টরেও পতন হয়েছে, তবে তা তুলনামূলকভাবে কম ছিল।












