নেপালের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ফের বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা সামনে এল। অবতরণের ঠিক আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি হেলিকপ্টার ভেঙে দু’টুকরো হয়ে যায়। এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও যাত্রীদের বেঁচে যাওয়া যেন এক অলৌকিক ঘটনা বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
![]()
খোটাংয়ের পাহাড়ে আতঙ্কের মুহূর্ত
বুধবার নেপালের খোটাং জেলার এক প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি হেলিকপ্টার অবতরণের সময় আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং মাটিতে আছড়ে পড়ে।
মরদেহ বহন করছিল কপ্টার
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কাঠমান্ডু থেকে একটি মরদেহ নিয়ে যাচ্ছিল ‘এয়ার ডাইনাস্টি’ সংস্থার হেলিকপ্টারটি। গন্তব্যে একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছিল কৃষিজমিতে, যেখানে নামার সময়ই বিপত্তি ঘটে।
![]()
প্রবল হাওয়া ও ধুলোয় কমে যায় দৃশ্যমানতা
দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে প্রতিকূল আবহাওয়া। প্রবল হাওয়া ও ধুলো উড়ে গিয়ে দৃশ্যমানতা হঠাৎ কমে যায়। ফলে পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং কপ্টারটি কয়েকবার ঘুরে মাটিতে আছড়ে পড়ে।
দু’টুকরো কপ্টার, তবু রক্ষা প্রাণ
আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই হেলিকপ্টারটি মাঝখান থেকে ভেঙে যায়। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে কোনও প্রাণহানি হয়নি। পাঁচজন যাত্রীকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
দ্রুত উদ্ধার, হাসপাতালে ভর্তি
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আহতদের দ্রুত কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একজন সামান্য আহত হলেও বাকিরা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।
![]()
তদন্তে প্রশাসন, উঠছে নিরাপত্তা প্রশ্ন
নেপালের অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি আবহাওয়ার প্রভাব—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় বিমান পরিষেবার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
![]()
নেপালের খোটাং জেলায় অবতরণের সময় ভয়াবহ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা। মাঝখান থেকে ভেঙে যায় কপ্টার, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রাণহানি হয়নি। পাঁচ যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।









