Petrol: ১০০–২০০ টাকার পেট্রোল ভরাচ্ছেন বাইকে? এই ভুল করলে মাসে হাজার টাকা লোকসান, জানুন আসল ‘কায়দা’

Petrol: ১০০–২০০ টাকার পেট্রোল ভরাচ্ছেন বাইকে? এই ভুল করলে মাসে হাজার টাকা লোকসান, জানুন আসল ‘কায়দা’

বাইকে বা গাড়িতে পেট্রোল ভরানোর সময় আমরা প্রায় সকলেই একটাই কাজ করি—১০০, ২০০ কিংবা ৫০০ টাকার তেল চাই। কিন্তু জানেন কি, এই অভ্যাসই আপনাকে প্রতারণার শিকার করতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট্রোল পাম্পে সামান্য অসতর্কতাতেই মাসে মাসে বড় অঙ্কের টাকা লোকসান হতে পারে।

রাউন্ড ফিগারে পেট্রোল কেন বিপজ্জনক

বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পেই লক্ষ্য করা যায়, কর্মীরা আগেভাগেই মেশিনে ১০০ বা ২০০ টাকার সেটিং করে রাখেন। ফলে গ্রাহক নজর না রাখলে কম পেট্রোল পড়ার আশঙ্কা থাকে। রাউন্ড ফিগারে তেল নেওয়ায় এই প্রতারণা করা তুলনামূলক সহজ হয়।

শুধু মিটার শূন্য দেখলেই কি নিরাপদ?

অনেকে মনে করেন, মিটারে 0.00 দেখলেই নিশ্চিন্ত থাকা যায়। কিন্তু বাস্তবে সেটাই সব নয়। পুরনো বা কারসাজি করা মেশিনে শূন্য দেখালেও ভিতরে কারিগরি ত্রুটি থাকতে পারে, যার ফলে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম পেট্রোল ঢোকে।

পেট্রোল পাম্পে ঠকবাজির সাধারণ কৌশল

কিছু অসাধু পাম্পে ডিজিটাল মিটার থাকলেও ক্যালিব্রেশন ঠিক থাকে না। আবার কোথাও রাউন্ড ফিগার সেট করে গ্রাহকের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু চোখে দেখা নয়—কৌশল জানা জরুরি।

টাকা বাঁচাতে আসল ‘কায়দা’ কী

সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল রাউন্ড ফিগারে পেট্রোল না নেওয়া। ১০০ বা ২০০ টাকার বদলে ১১০ বা ১২০ টাকার পেট্রোল নিন। তার থেকেও ভালো, লিটারের হিসেবে পেট্রোল বা ডিজেল ভরান। এতে কারচুপির সুযোগ অনেকটাই কমে যায়।

অনলাইন পেমেন্ট কেন বেশি নিরাপদ

খুচরো টাকা না থাকলে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার করাই ভালো। এতে তাড়াহুড়ো কম হয় এবং কর্মীদের অজুহাত দেওয়ার সুযোগও কমে। একই সঙ্গে পেমেন্ট প্রমাণ হিসেবেও রেকর্ড থেকে যায়।

কোন পেট্রোল পাম্প এড়িয়ে চলবেন

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পুরনো মেশিনযুক্ত পাম্পে সতর্ক থাকতে হবে। সম্ভব হলে শুধুমাত্র ডিজিটাল মিটার ও ভেন্ডিং মেশিন ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেটযুক্ত পাম্প থেকেই পেট্রোল ভরান। প্রয়োজনে সেই সার্টিফিকেট দেখতে চাইতে পারেন।

পেট্রোল পাম্পে রাউন্ড ফিগারে তেল ভরানোই অনেক সময় প্রতারণার ফাঁদ। ১০০, ২০০ বা ৫০০ টাকার পেট্রোল নিলে কীভাবে ঠকতে পারেন গ্রাহকরা এবং কীভাবে সহজ কৌশলে টাকা বাঁচানো সম্ভব—জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a comment