গ্রীষ্ম পড়তেই বাড়ছে ঘামাচির যন্ত্রণা। চুলকানি, জ্বালাপোড়া আর লালচে ফুসকুড়িতে নাজেহাল অবস্থা। তবে দামী ট্যালকম পাউডার নয়, বরং ঘরের সাধারণ উপকরণেই মিলতে পারে স্বস্তি—এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বরফের সেঁকে মিলবে তাত্ক্ষণিক স্বস্তি
ঘামাচির জায়গায় সুতির কাপড়ে বরফ জড়িয়ে ৫-১০ মিনিট সেঁক দিলে ফোলা কমে এবং চুলকানি অনেকটাই হ্রাস পায়। দিনে ২-৩ বার এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে দ্রুত আরাম মেলে।
অ্যালোভেরা ও নিমের প্রাকৃতিক গুণ
Aloe vera ও নিমে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল লাগালে ত্বক ঠান্ডা থাকে এবং জ্বালাপোড়া কমে।
ট্যালকম পাউডারেই বাড়ছে সমস্যা!
অনেকেই ঘামাচিতে অতিরিক্ত ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। কিন্তু এতে লোমকূপ বন্ধ হয়ে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই এই অভ্যাস এড়ানোই ভালো।
চন্দনের পেস্টে ঠান্ডা অনুভূতি
চন্দন গুঁড়ো দুধে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির জায়গায় লাগালে ত্বকে ঠান্ডা অনুভূতি দেয় এবং লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।
মুলতানি মাটির ম্যাজিক
Multani Mitti ভিজিয়ে সুতির কাপড়ে লাগিয়ে আক্রান্ত স্থানে রাখলে ত্বক শীতল হয়। এটি ঘাম শোষণ করে এবং জ্বালাপোড়া কমাতে কার্যকর।
শরীর ঠান্ডা রাখতে জলই ভরসা
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে প্রচুর জল পান করা জরুরি। এতে শরীরের ভেতরের তাপ কমে এবং ত্বকের সমস্যাও কম হয়।
গরমে ঘাম জমে ত্বকে হওয়া Prickly Heat বা ঘামাচির সমস্যায় ভুগছেন? বাজারি পাউডার নয়, বরং ঘরোয়া উপায়—মুলতানি মাটি, অ্যালোভেরা, চন্দন—দিতেই পারে দ্রুত আরাম।













