Reason of Daily Headache এখন ঘরে ঘরে চর্চার বিষয়। হালকা চাপ থেকে শুরু করে তীব্র যন্ত্রণায় নাজেহাল হচ্ছেন বহু মানুষ। অথচ বারবার ডাক্তার দেখানো ও ওষুধ খাওয়ার পরও ব্যথা কমছে না—এই অভিযোগই সবচেয়ে বেশি। AIIMS-প্রশিক্ষিত নিউরোলজিস্ট ডাঃ প্রিয়াঙ্কা সাহরাওয়াত জানাচ্ছেন, ৯০ শতাংশেরও বেশি দৈনিক মাথাব্যথার জন্য দায়ী অনিয়মিত জীবনযাপন।
মাথাব্যথার আসল ‘ট্রিগার’ কোথায়?
ডাঃ প্রিয়াঙ্কার কথায়, “শুধু ওষুধে সাময়িক আরাম মিলতে পারে, কিন্তু জীবনধারা না বদলালে ব্যথা বারবার ফিরে আসবেই।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, দৈনন্দিন কিছু ভুল অভ্যাস আমাদের স্নায়ু ও মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে, যার ফলেই শুরু হয় ক্রনিক হেডেক।
খাবারের অনিয়মে বাড়ে সমস্যা
সকালের খাবার না খাওয়া, দেরিতে খাওয়া বা অনিয়মিত মিল—এই অভ্যাস শরীরে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে মাথায়, শুরু হয় ঝিমুনি ও ব্যথা।
ঘুম কম, স্ক্রিন বেশি—দ্বিগুণ বিপদ
অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা এবং ঘুমের ঠিক আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নিতে দেয় না। ব্লু লাইটের প্রভাবে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা মাথাব্যথাকে আরও তীব্র করে।
শরীরচর্চা ও জলের অভাব
নিয়মিত শরীরচর্চা না করলে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল না খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে, যা মাথাব্যথার অন্যতম বড় কারণ।
মানসিক চাপ—নীরব শত্রু
দীর্ঘদিনের স্ট্রেস ও মানসিক চাপ স্নায়ুকে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে তোলে। এর ফলেই টেনশন হেডেক বা মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়তে থাকে।
মাথাব্যথা বাড়ায় যে ৭টি অভ্যাস
সকালের খাবার না খাওয়া বা দেরিতে খাওয়া
অনিয়মিত খাবারের সময়
অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা
ঘুমের আগে ফোন বা ল্যাপটপ দেখা
শরীরচর্চার অভাব
পর্যাপ্ত জল না খাওয়া
দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ ও স্ট্রেস
প্রতিদিনের মাথাব্যথাকে অনেকেই মাইগ্রেন বা স্নায়ুর সমস্যা ভেবে নিয়মিত ওষুধ খান। কিন্তু AIIMS-এ প্রশিক্ষিত নিউরোলজিস্ট ডাঃ প্রিয়াঙ্কা সাহরাওয়াত জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্যার মূল কারণ লুকিয়ে রয়েছে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে। খাবার, ঘুম, স্ট্রেস ও স্ক্রিন টাইম—এই সব ছোট ভুলই দীর্ঘমেয়াদি মাথাব্যথার বড় ট্রিগার হয়ে উঠছে।













