বাংলাদেশে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুই বাংলায়। নিহত যুবকের নাম দীপু দাস। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এবং শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আশ্বাস, দীপু দাসের পরিবার একা নয়—তাদের পাশে থাকবে বিজেপি ও তিনি নিজে।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ
দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডকে ‘অমানবিক ও বর্বর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনা শুধু একটি খুন নয়, এটি বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর চলা ধারাবাহিক নির্যাতনের ভয়াবহ উদাহরণ। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন।
পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, দীপু দাসের পরিবারকে একা লড়তে হবে না। আইনি সহায়তা থেকে শুরু করে মানবিক সহযোগিতা—সব ক্ষেত্রেই পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও বিষয়টি আলোচনা করে পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান বিরোধী দলনেতা।
সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন
এই হত্যাকাণ্ড ফের একবার বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মন্দির ভাঙচুর, হিন্দু বাড়িতে হামলা, খুন ও হুমকির একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এসব ঘটনায় বাংলাদেশের প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশ্ন তোলা জরুরি।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাকে ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে আলোচনা। বিজেপির একাংশ মনে করছে, দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডকে শুধুমাত্র প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক নীরবতা অপরাধের শামিল।
বিচারের অপেক্ষায় পরিবার
দীপু দাসের পরিবার এখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাদের একটাই দাবি—নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। শুভেন্দু অধিকারীর আশ্বাসে কিছুটা হলেও ভরসা পাচ্ছে পরিবার, তবে তারা চাইছে আন্তর্জাতিক নজরদারি ও প্রকৃত বিচার।
বাংলাদেশে নৃশংসভাবে খুন হওয়া হিন্দু যুবক দীপু দাসের পরিবারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।












