মা হলেন সঙ্গীতশিল্পী ও বিধায়ক অদিতি মুন্সী, কোল আলো করে এল পুত্রসন্তান

মা হলেন সঙ্গীতশিল্পী ও বিধায়ক অদিতি মুন্সী, কোল আলো করে এল পুত্রসন্তান

সুরের মঞ্চ থেকে বিধানসভা—দুই জগতেই যাঁর সমান জনপ্রিয়তা, সেই অদিতি মুন্সীর জীবনে এল নতুন অধ্যায়। রবিবার সকালে মা হলেন তিনি। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন এই জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও তৃণমূল বিধায়ক। সুখবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবার, দল এবং ভক্তদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার।

রবিবার সকালে খুশির খবর

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ জানুয়ারি রবিবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দেন অদিতি মুন্সী। চিকিৎসকদের বক্তব্য অনুযায়ী, মা এবং নবজাতক দু’জনেই সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। আপাতত দু’জনকেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পরিবারে উৎসবের আবহ

নবজাতকের আগমনে অদিতির পরিবারে কার্যত উৎসবের পরিবেশ। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমেও অনুরাগীদের অভিনন্দনে ভরে উঠেছে অদিতির নাম।

ব্যক্তিগত জীবনের গল্প

২০১৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অদিতি মুন্সী। বিয়ের পর থেকেই তিনি রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক জগত—দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। স্বামীর হাত ধরেই রাজনৈতিক জীবনের পথচলা শুরু হয় তাঁর।

রিয়ালিটি শো থেকে জনপ্রিয়তা

অদিতি মুন্সীর সঙ্গীতজীবনের শুরু রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চ থেকে। বিশেষ করে কীর্তন ও ভক্তিমূলক গানে তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নেয়। লোকসংগীতপ্রেমীদের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন পরিচিত নাম।

সংস্কৃতি ও রাজনীতির মেলবন্ধন

সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি অদিতি বর্তমানে রাজারহাট–গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচিত বিধায়ক। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল ও জনজীবনের সমস্যাকে এক সুতোয় বেঁধে রাখার চেষ্টা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম দিক।

নতুন ভূমিকায় অদিতি মুন্সী

এবার শিল্পী ও জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি অদিতি মুন্সী যুক্ত হলেন মাতৃত্বের ভূমিকায়। নতুন এই দায়িত্বের সঙ্গে কীভাবে তিনি তাঁর পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবন সামলান, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী এবং রাজারহাট–গোপালপুরের বিধায়ক অদিতি মুন্সী রবিবার সকালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মা ও সন্তান দু’জনেই সুস্থ রয়েছেন। পরিবার ও অনুরাগী মহলে খুশির আবহ।

Leave a comment