তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি নেই। কিন্তু এই প্রিয় ফলই এখন বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরমুজ দ্রুত পাকাতে Ethephon এবং আকর্ষণীয় লাল রং আনতে Erythrosine ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।
কেমিক্যাল তরমুজে কী ক্ষতি হতে পারে?
রাসায়নিকযুক্ত তরমুজ খেলে হজমের সমস্যা, বমি, ডায়রিয়া থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে লিভার ও কিডনির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি।
ওয়াটার টেস্ট—জলেই ধরা পড়বে রংয়ের কারচুপি
একটি ছোট তরমুজের টুকরো জলে ফেলুন। যদি জল লাল বা গোলাপি হয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন তাতে কৃত্রিম রং মেশানো থাকতে পারে। ভালো তরমুজে জল স্বচ্ছই থাকে।
কটন টেস্ট—তুলোয় উঠছে রং? সাবধান!
তরমুজের লাল অংশে তুলো ঘষে দেখুন। সহজে রং উঠে এলে সেটি অস্বাভাবিক। প্রাকৃতিক তরমুজে এমনটা হয় না।
ফাটল ও সাদা দাগ—ভেতরেই লুকিয়ে সংকেত
তরমুজ কাটার পর ভেতরে অস্বাভাবিক ফাটল বা সাদা গুঁড়োর মতো দাগ দেখা গেলে তা রাসায়নিক ব্যবহারের ইঙ্গিত হতে পারে।
খোসায় সূচের দাগ—ইনজেকশনের চিহ্ন?
তরমুজের খোসায় ছোট ছিদ্র বা সূচ ফোটানোর মতো দাগ থাকলে বুঝতে হবে এতে রাসায়নিক ইনজেক্ট করা হয়েছে।
গরমে তরমুজ খাওয়ার আগে সতর্ক হোন। বাজারে কিছু তরমুজ কৃত্রিমভাবে পাকানো হচ্ছে ‘ইথিফন’ ও ‘এরিথ্রোসিন’ দিয়ে। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। বাড়িতেই সহজ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিন তরমুজ নিরাপদ কি না।













