মহারাষ্ট্রের বারামতীকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে একটি সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং কিছু গণমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারকে বহনকারী একটি বিমানের দুর্ঘটনার কথা বলা হচ্ছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর দাবি অনুযায়ী, বুধবার সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে বারামতীতে অবতরণের সময় সংশ্লিষ্ট বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে দুর্ঘটনার কারণ এবং অজিত পওয়ারের প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক ও অসমর্থিত তথ্যে বলা হয়েছে, অজিত পওয়ার নির্বাচন প্রচারসংক্রান্ত একটি কর্মসূচির জন্য বারামতীতে যাচ্ছিলেন। অবতরণের সময় রানওয়েতে বিমানটির সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হচ্ছে। কিছু প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পর বিমানে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের এলাকায় ধোঁয়া দেখা যায়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এই কথিত দুর্ঘটনার সময় অজিত পওয়ার বিমানে ছিলেন কি না এবং থাকলে তাঁর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের অবস্থা কী—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। রাজ্য সরকার বা অজিত পওয়ারের দপ্তরের পক্ষ থেকেও এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন নেতা ও সমর্থক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অজিত পওয়ারের নিরাপত্তা কামনা করেছেন, পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দ্রুত পরিস্থিতি স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন। দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হলে এর পেছনে কারিগরি ত্রুটি, আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি বা পাইলটের ত্রুটি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিদপ্তর (ডিজিসিএ) ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করে। তবে বর্তমানে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোকে অকালপ্রসূত বলে মনে করা হচ্ছে।











