মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে শান্তির সম্ভাবনা জাগছে। আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা—Pakistan-এর রাজধানী Islamabad-এ হতে পারে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি ওয়াশিংটন।
ইসলামাবাদে বৈঠকের জল্পনা কেন?
সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহেই দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদে মিলিত হতে পারেন। যদিও সরাসরি আলোচনা এখনও নিশ্চিত নয়, ‘ব্যাকচ্যানেল’ বা পরোক্ষ আলোচনার ইঙ্গিত মিলেছে।
কারা করছে মধ্যস্থতা?
এই সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় একাধিক দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে—
Turkey
Egypt
পাশাপাশি উপসাগরীয় কয়েকটি দেশও বার্তা আদানপ্রদানে যুক্ত
এই দেশগুলো আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ‘সেতুবন্ধন’ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt স্পষ্ট জানিয়েছেন—
এই ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা অত্যন্ত সংবেদনশীল
কোনও বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত জল্পনাকে সত্য বলে ধরা উচিত নয়
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি থেকে ‘নরম’ সুর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে হামলার হুমকি
তবে পরে অবস্থান কিছুটা নরম করে ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা
তিনি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে।
ইরানের অবস্থান কী?
তেহরান অবশ্য সরাসরি কোনও আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।
তবে ইউরোপীয় সূত্রের দাবি—
সরাসরি না হলেও ‘পরোক্ষ আলোচনা’ চলছে
বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতা করে বার্তা আদানপ্রদান করছে
United States ও Iran-এর মধ্যে উত্তেজনা কমাতে গোপন কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার। ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের জল্পনা বাড়ছে, যদিও White House এটিকে ‘সংবেদনশীল’ বলে মন্তব্য করেছে।









