অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল Election Commission of India। ভোটের কাজে কোনওরকম গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্ব বরদাস্ত করা হবে না—এমনই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কমিশন। আইন ভাঙলেই অপেক্ষা করছে কড়া শাস্তি।
আধিকারিকদের জন্য কড়া আইন
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিয়ম ভাঙলে জেল বা জরিমানার মুখে পড়তে পারেন।
প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেই শাস্তি
আইনের ১২৯ ধারা অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মী যদি কোনও প্রার্থীর পক্ষে প্রচার করেন বা ভোটারদের প্রভাবিত করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ছ’মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে।
গোপনীয়তা ভাঙলেও জেল
১২৮ ধারা অনুযায়ী ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করলে তিন মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে। আবার ১৩৪(এ) ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মী নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করলেও শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
সাধারণ ভোটারদের জন্যও কড়াকড়ি
শুধু আধিকারিক নয়, সাধারণ ভোটারদের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম জারি করা হয়েছে। ভোটের জন্য ঘুষ দেওয়া, ভয় দেখানো, ধর্মের নামে প্রভাবিত করা—সবই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনকি অন্যের হয়ে ভোট দেওয়া বা একাধিকবার ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলেও জেল হতে পারে।
শান্তিপূর্ণ ভোটে একাধিক বিধিনিষেধ
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে বাইক র্যালি ও বেআইনি জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে। পোলিং এজেন্টদের ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই শাস্তির নজির
ইতিমধ্যেই নিয়ম ভাঙার অভিযোগে পাঁচজন বিএলও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
প্রথম দফার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের কড়া সতর্কতা। ভোটের দায়িত্বে থাকা কোনও আধিকারিক নিয়ম ভাঙলে জেল বা জরিমানা—দুটোই হতে পারে। সাধারণ ভোটারদের ক্ষেত্রেও জারি একাধিক বিধিনিষেধ।










