ওয়াইট হাউসের ইফতারে মুসলিম সাংসদদের বাদ দিয়ে বিতর্ক

ট্রাম্পের ওয়াইট হাউসে ইফতার পার্টিতে মুসলিম সাংসদ ও নেতাদের আমন্ত্রণ না দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া। বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আমন্ত্রণে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ।

ওয়াইট হাউসে প্রথম ইফতার পার্টি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু মুসলিম সাংসদ ও নেতাদের বাদ দিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আমন্ত্রণে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষোভ।

Trump-Iftar-Party: রমজানের পবিত্র মাসে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ওয়াইট হাউসে ইফতার পার্টি (Trump Iftar Party) এর আয়োজন করেছেন। তবে, এই আয়োজন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্পের এই ইফতার পার্টিতে আমেরিকার মুসলিম সাংসদ ও সম্প্রদায়ের নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মুসলিম সাংসদদের আমন্ত্রণ পাননি

ওয়াইট হাউসের ইফতারে মুসলিম সাংসদদের বাদ দিয়ে বিতর্ক

ইফতার ডিনারে আমেরিকার মুসলিম সাংসদ ও সম্প্রদায়ের প্রধান নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তবে মুসলিম দেশগুলির বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ওয়াইট হাউসে ইফতার পার্টির আয়োজনের প্রথা দুই দশক ধরে চলে আসছে, কিন্তু এবার অতিথিদের তালিকা নিয়ে প্রতিবাদ হচ্ছে।

ট্রাম্পের বক্তব্য – ‘আমরা রমজানের সম্মান করি’

ওয়াইট হাউসের ইফতারে মুসলিম সাংসদদের বাদ দিয়ে বিতর্ক

রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইফতার ডিনারের আয়োজন করার সময় বলেছেন, "আমরা ইসলামের পবিত্র মাস রমজান উদযাপন করছি। এটি একটি চমৎকার মাস। বিশ্বের সকল মুসলমানকে রমজান মোবারক। আমরা বিশ্বের অন্যতম সেরা ধর্মের সম্মান করি।"

ওয়াইট হাউসের বাইরে মুসলিম সংগঠনের প্রতিবাদ

এই আয়োজন নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। ওয়াইট হাউসের বাইরে "Not Trump's Iftar" নামে মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠন ও নেতারা প্রতিবাদ করেছেন। প্রতিবাদকারীদের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কেবলমাত্র দেখানো। একজন প্রতিবাদকারী বলেছেন, "একদিকে ট্রাম্প মুসলমানদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করছেন এবং অন্যদিকে ইফতার পার্টির আয়োজন করছেন, এটি ভন্ডামি।"

ওয়াইট হাউসের ইফতারে মুসলিম সাংসদদের বাদ দিয়ে বিতর্ক

পূর্বেও বিতর্কিত ছিল ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী সিদ্ধান্ত

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার কার্যকালে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বেশ কিছু মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিলেন, যাকে মুসলিম নিষেধাজ্ঞা (Muslim Ban) বলা হয়। এই অবস্থায় ইফতার পার্টির আয়োজনকে মুসলিম সম্প্রদায় কেবলমাত্র দেখানো বলে মনে করছে।

Leave a comment