এই শীতে ঠোঁট ফাটা আর কালচে ভাবকে বিদায়! ঘরোয়া টোটকাতেই ফিরুক পেলব, গোলাপি ঠোঁট—হাসিতেই বাজিমাত

শীতে ঠোঁট ফাটা, শুষ্কতা ও কালচে ভাবের সমস্যা? চিনি, মধু ও বিট দিয়ে ঘরোয়া উপায়ে ঠোঁটের যত্ন নিন। জানুন সহজ Winter Lip Care Tips বাংলায়।

শীতের মরসুমে ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত থাকে আমাদের ঠোঁট। ঠান্ডা হাওয়া, কম জলপান ও আর্দ্রতার অভাবে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা কালচে দেখানোর সমস্যা লেগেই থাকে। তবে চিন্তার কিছু নেই। রান্নাঘরেই থাকা কয়েকটি উপকরণ দিয়েই নিয়মিত যত্ন নিলে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ঠোঁট ফিরে পেতে পারে তার স্বাভাবিক কোমলতা ও রঙ।

শীতে কেন ঠোঁট বেশি ফাটে?

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। ফলে ঠোঁটের ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে। অনেক সময় ঠোঁট চাটা, কম জলপান বা অতিরিক্ত কফি-চা খাওয়ার কারণেও সমস্যা বাড়ে। উপেক্ষা করলে ফাটা ঠোঁট থেকে রক্তপাত পর্যন্ত হতে পারে।

চিনি ও মধুর স্ক্রাব—ঠোঁটের মৃত কোষ দূর করতে সেরা

প্রথমে সামান্য চিনি মিক্সারে গুঁড়ো করে নিন। তার সঙ্গে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে নিন।এই মিশ্রণটি ৫–১০ মিনিট হালকা হাতে ঠোঁটে ঘষুন। এতে ঠোঁটের জমে থাকা মৃত কোষ উঠে যাবে। এরপর শুধু মধু লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই স্ক্রাব করলেই ঠোঁট হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

বিট ও মধু—প্রাকৃতিক লিপ টিন্ট

বাড়িতে বিট থাকলে সেটি সেদ্ধ বা কাঁচা অবস্থায় পেস্ট করে নিন। তার সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। ১০–১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ঠোঁটে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা আসবে। নিয়মিত ব্যবহার করলে কালচে ভাবও কমবে।

শীতেও ঠোঁট আর্দ্র রাখতে যা করবেন

শীতকালেও দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস জল পান করুন। বাইরে বেরোনোর আগে নারকেল তেল বা ঘি দিয়ে ঠোঁটে হালকা ম্যাসাজ করলে শুষ্কতা কমবে। রাতে ঘুমোনোর আগে লিপ বাম ব্যবহার করাও উপকারী।

শীতকাল মানেই ঠোঁট ফাটা, রুক্ষতা আর কালচে ভাবের সমস্যা। বাজারচলতি কসমেটিক নয়, বরং ঘরোয়া উপকরণ দিয়েই কীভাবে ঠোঁট হবে নরম, মসৃণ ও প্রাকৃতিক গোলাপি—জানাচ্ছেন বিউটি এক্সপার্ট।

Leave a comment