ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। সেই সময়টুকুকে কাজে লাগাতে মরিয়া সব রাজনৈতিক দলই। তবে বহরমপুরে যেন আলাদা ছন্দে দেখা গেল ‘রবিনহুড’ খ্যাত অধীর রঞ্জন চৌধুরী-কে। রবিবার সকাল থেকেই শুরু করে দিনভর চুটিয়ে প্রচার চালিয়ে গেলেন তিনি, লক্ষ্য একটাই—নিজের পুরনো ঘাঁটি পুনর্দখল।
সকালের শুরুতেই প্রচারের ঝাঁজ
রবিবার ভোরবেলাতেই কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে গোরাবাজার উকিলপাড়া এলাকায় প্রচার শুরু করেন অধীর। স্থানীয় দুর্গামন্দিরের সামনে থেকেই প্রচারের সূচনা করে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। শুরু থেকেই তাঁর সঙ্গে ছিল উল্লেখযোগ্য ভিড়।
গলির ভেতরে, মানুষের মাঝে ‘ঘরের ছেলে’
প্রচারের সময় বড় রাস্তা নয়, ছোট ছোট গলিতেও ঢুকে পড়েন তিনি। বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম, শিশুদের আশীর্বাদ—সব মিলিয়ে একেবারে ‘ঘরের ছেলে’ ইমেজ তুলে ধরার চেষ্টা স্পষ্ট। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগেই জোর দিয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা।
হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে বাড়তি চাপ
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বহরমপুর বরাবরই অধীরের শক্ত ঘাঁটি। তবে এবারের লড়াই মোটেও সহজ নয়। বিজেপির প্রার্থী সুব্রত মৈত্র এবং তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখার্জি—দুই প্রতিপক্ষই যথেষ্ট শক্তিশালী।
৩০ বছর পর বিধানসভায় প্রত্যাবর্তনের লড়াই
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার সাংসদ থাকলেও এবার বিধানসভায় নিজের জায়গা ফিরে পেতে মরিয়া অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাই শেষ লগ্নে প্রচারে কোনও ঢিলেমি রাখতে নারাজ তিনি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা কর্মসূচি তারই প্রমাণ।
ভোটের আগে শেষ ল্যাপ—কার দিকে পাল্লা ভারী?
শেষ রবিবারের এই প্রচার যে কেবল জনসংযোগ নয়, তা বলছেন রাজনৈতিক মহল। ভোটের আগে শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয়ের লড়াই এখন তুঙ্গে। বহরমপুরে কার দিকে পাল্লা ভারী হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে শেষ রবিবারে প্রচারে কোনও খামতি রাখলেন না কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বহরমপুরে একের পর এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে গেলেন তিনি।










