Bird Festival: বিরল পাখির স্বর্গরাজ্যে রূপান্তরিত বক্সা, জয়ন্তীর জঙ্গলে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের মিলনমেলা

Bird Festival: বিরল পাখির স্বর্গরাজ্যে রূপান্তরিত বক্সা, জয়ন্তীর জঙ্গলে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের মিলনমেলা

ঘন সবুজ অরণ্য, পাহাড়ঘেরা নীরবতা আর ডানার ঝাপটান—সব মিলিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তী জঙ্গল এখন পাখিপ্রেমীদের স্বপ্নভূমি। শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত বক্সা পাখি উৎসব, যেখানে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে চিহ্নিত করা হচ্ছে বিরল ও অচেনা পাখির প্রজাতি।

৩০০ প্রজাতির খোঁজে গবেষণার অভিযান

এবছর পাখি উৎসবের মূল লক্ষ্য—বক্সা জঙ্গলে অন্তত ৩০০ প্রজাতির পাখি চিহ্নিত করা। এর আগে শেষ উৎসবে প্রায় ২৫০টি পাখির সন্ধান মিলেছিল। আয়োজকদের আশা, এবছর সেই সংখ্যাকে ছাপিয়ে যাবে বক্সা।

২০১৭ থেকে যাত্রা, অষ্টম বর্ষে পা

২০১৭ সালে প্রথম শুরু হয়েছিল এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। টানা সাত বছর সফলভাবে আয়োজিত হলেও, গতবছর শেষ মুহূর্তে উৎসব বাতিল হয়। ফলে এবছর অষ্টম বর্ষে পা দিল বক্সা পাখি উৎসব।

জয়ন্তীতেই বেস ক্যাম্প

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পূর্ব ডিভিশনের জয়ন্তী রেঞ্জ অফিসের পাশেই গড়ে উঠেছে উৎসবের মূল মঞ্চ ও বেস ক্যাম্প। অংশগ্রহণকারী গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা এখানেই রাতযাপন করছেন।

রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী—পরিবর্তিত ক্যাম্পিং কেন্দ্র

২০২৩ সাল পর্যন্ত পাখি উৎসবের ক্যাম্পিং গ্রাউন্ড ছিল রাজাভাতখাওয়া এলাকায়। তবে ২০২৪ সাল থেকে উৎসবের কেন্দ্র সরিয়ে আনা হয়েছে জয়ন্তীতে, যা পাখি পর্যবেক্ষণের জন্য আরও উপযুক্ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নারী পাখি বিশেষজ্ঞদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি

এবছর উৎসবে অংশ নিয়েছেন মোট ১৫ জন পাখি বিশেষজ্ঞ, যাঁদের মধ্যে ৯ জনই মহিলা। গবেষণা ও সংরক্ষণে নারী অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

আয়োজকদের বার্তা

হিমালয়ান নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক অনিমেষ বসু জানান,“বক্সা পাখিদের স্বর্গরাজ্য। এই পাখি উৎসব আজ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকৃতি উৎসব। আমরা চাই, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এই উৎসব হোক।”

আলিপুরদুয়ারের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তী জঙ্গলে শুরু হয়েছে অষ্টম বর্ষের পাখি উৎসব। লক্ষ্য—৩০০ প্রজাতির পাখি চিহ্নিত করা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ১৫ জন পাখি বিশেষজ্ঞ, যার মধ্যে ৯ জন মহিলা, এই উৎসবে অংশ নিয়েছেন। প্রকৃতি, গবেষণা ও সংরক্ষণের মিলিত মঞ্চ হয়ে উঠেছে জয়ন্তী।

Leave a comment