বিকেলের চায়ের সঙ্গে মুচমুচে কিছু একটা খেতে ইচ্ছে করছে? বাজার থেকে প্যাকেটের চিপস না কিনে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন কলার চিপস। কাঁচা কলা, নুন, হলুদ আর সামান্য মশলা দিয়েই তৈরি করা যায় এই মুখরোচক খাবার। নিজের পছন্দমতো নুন-মশলার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
কাঁচা কলা দিয়ে চিপস বানানোর পদ্ধতি
প্রথমে কয়েকটি কাঁচা কলা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার পাতলা করে গোল বা লম্বাটে আকারে কেটে নিন। চিপস মুচমুচে করার জন্য টুকরোগুলি যতটা সম্ভব পাতলা রাখা ভালো।এরপর একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে সামান্য নুন ও হলুদ মিশিয়ে নিন। ওই জলে কলার টুকরোগুলি কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ঝরিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যুর সাহায্যে কলার টুকরোগুলি ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।
এবার আসল পালা—ভাজার
কড়াইয়ে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে কলার টুকরোগুলি অল্প অল্প করে ছেড়ে দিন। একসঙ্গে বেশি টুকরো দিলে চিপস সমানভাবে ভাজা নাও হতে পারে। ধীরে ধীরে ভেজে নিন যতক্ষণ না সেগুলি সুন্দর মুচমুচে হয়ে যায়।ভাজা হয়ে গেলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। এরপর উপর থেকে সামান্য নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো কিংবা নিজের পছন্দের মশলা ছড়িয়ে দিলেই তৈরি ঘরোয়া কলার চিপস।
শুধু স্বাদ নয়, কলারও রয়েছে নানা গুণ
কলা পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি এবং কার্বোহাইড্রেটের উৎস। পাকা কলার প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে। পাশাপাশি কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।তবে মনে রাখতে হবে, কলার চিপস ভাজা খাবার। ফলে এতে অতিরিক্ত তেল ও ক্যালোরি যোগ হতে পারে। তাই নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে না খেয়ে পরিমিত খাওয়াই ভালো।
আরও স্বাস্থ্যকর করতে কী করবেন?
কলার চিপস বানানোর সময় তেলের পরিমাণ কম রাখতে পারেন। চাইলে এয়ার ফ্রায়ারেও তৈরি করা যায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত নুন বা মশলা না দিয়ে হালকা স্বাদের চিপস বানালে তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প হতে পারে।
সন্ধ্যার জলখাবারে চিপস খেতে কার না ভাল লাগে! তবে দোকানের প্যাকেটজাত চিপসের বদলে বাড়িতেই কাঁচা কলা দিয়ে তৈরি করতে পারেন মুচমুচে কলার চিপস। অল্প কয়েকটি উপকরণেই তৈরি হবে এই সুস্বাদু স্ন্যাকস। কীভাবে বানাবেন, রইল সহজ পদ্ধতি।













